ওজন কমাতে চান ?? তাহলে দেখুন কি খেতে হবে…

922

ওবেসিটি, থাইরয়েড, ডায়াবেটিস কিংবা কোলেস্টেরলের সঙ্গে লড়তে গেলে কেবল শরীরচর্চাই একমাত্র সমাধান নয়। শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী জল খাওয়া আর সেই সঙ্গে খাবারদাবারে নজর দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অনেকেরই ডায়েট মেনে বা খুব নিয়ম অনুযায়ী খাওয়াদাওয়া করার সুযোগ হয়ে ওঠে না। তবু একটু সচেতন হলে ওজন বাড়তে পারে এমন সব খাবার খাদ্যতালিকা থেকে সহজেই বাদ দেওয়া যায়। আর এর জায়গায় কিছু স্বাস্থ্যকর খাবারদাবার যোগ করে নেয়া যায়।

প্রতি দিনের প্রাতঃরাশ থেকে রাতের খাবার পর্যন্ত নানা ধাপে এসব স্বাস্থ্যকর খাবারদাবার খাদ্যতালিকায় যোগ করলেই সুফল পাবেন অনেকটা। সঙ্গে একটু হাঁটাহাঁটি ও পর্যাপ্ত জল পানেই কমবে ওজন এবং দূরে থাকবে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের ফলে হওয়া নানা অসুখবিসুখ। দেকে নি খাবারগুলো-

হোল গ্রেন ব্রেড:- সাদা নয়, ব্রাউন ব্রেড খান। সবচেয়ে ভাল হয়, যদি হোল গ্রেন ব্রেড খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। এর ফাইবার রুটির চেয়েও বেশি এবং গ্লাইসেমিক রেটও কম। তাই এর শর্করা তাড়াতাড়ি গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়।

ওটস:- সকালের ব্রেকফাস্টে রুটির বদলে যোগ করুন ওটস। আধ কাপ দুধে ৫০ গ্রাম ওটস, এই অনুপাতেই ব্রেকফাস্ট টেবিল সাজান আপনার।

আরো পড়ুনঃ- কিডনির পাথর থেকে মুক্তির উপায় আপনার হাতের সামনে -দেখুন কিভাবে !!

কলা:- কোলেস্টেরল থাকলে ডিমের কুসুম বাদ দিন জীবন থেকে। বরং ওটসের সঙ্গে দু’টো কলা খেয়ে শুরু করুন দিন। কলায় পটাশিয়াম যেমন বেশি, তেমনই মেদ ঝরাতেও খুব সাহায্য করে এই ফল। কলার ২৩ শতাংশ শর্করা। পেশিশক্তি বাড়াতেও এই ফল বিশেষ কার্যকর।

রাঙা আলু:- অনেকেই ডায়েট থেকে আলু বাদ দিয়েছেন। তবে রাঙা আলুকে অতি অবশ্যই খাদ্যতালিকায় যোগ করে নিন। রাঙা আলুতে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা যেমন বাড়ে , তেমনই এর ভিটামিন সি, ফাইবার ও পটাশিয়ামের জোগানও মেলে এই খাবার থেকে। রাঙা আলুতে পেট ভরেও থাকে অনেক ক্ষণ। তাই বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে আর এ বিসয়টিও ওজন কমতে সাহায্য করে।

আপেল:- একটি মাঝারি মাপের আপেল থেকে পাওয়া যায় মোটামুটি ৮১ ক্যালোরি। হাঁটাহাঁটি বা শরীরচর্চার আগে এক গ্লাস আপেলের শেক খেলে আপনার শক্তির জোগান যেমন বাড়বে, তেমনই শরীরের অতিরিক্ত মেদও কমাবে আপেল। মেদ ধরানোর ইচ্ছা থাকলে প্রতি দিনের ডায়েটে সব ফলের মধ্যে অন্তত একটা আপেল রাখুন।

ফ্লেক সিড:- শস্যদানায় লুকিয়ে মেদ কমানোর মন্ত্র। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ও মেদ ঝরাতে এই ধরনের খাবারের বিশেষ ভূমিকা আছে। পেশির শক্তি বাড়াতেও এই খাবার কার্যকর। সন্ধের খাবারে রাখুন এটি।

আরো পরুনঃ- রীর তরতাজা রাখতে খেতে পারেন ডিমের খোসা, জানুন ডিমের খোসার চমত্‍কার…

ডায়েটে এ সব যোগ করার পাশাপাশি শরীরচর্চা করুন। তার সঙ্গে পর্যাপ্ত জল পান করুন। এছাড়া কমিয়ে দিন নুনের পরিমাণও এবং চিনির বদলে গুড়ের বাতাসা বা নারকেলের চিনি যোগ করুন রান্নায়। কম তেল-মশলায় আস্থা রাখুন। এ সব নিয়ম মেনে চললে সহজেই কমবে ওজন।