শরীর তরতাজা রাখতে খেতে পারেন ডিমের খোসা, জানুন ডিমের খোসার চমত্‍কার ব্যবহার….

746

বয়স বাড়ার সাথে সাথে বিশেষত মহিলাদের হাড় ক্ষয় হতে শুরু করে,তাই প্রতিদিন অল্প অল্প করে ডিমের খোসা খেতে শুরু করলে শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে।
দাঁতের মাড়ি ও দাঁত শক্ত করতে ডিমের খোসার জুড়ি মেলা ভার,ডিমের খোসার সাথে একটু লেবুর রস মিশিয়ে দাঁত মেজে নিন।
বাতের ব্যাথা থেকে উপশম পেতে ডিমের খোসা ভালো কাজ করে।
যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য উপকারী ডিম। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা এবং সুস্থ থাকার জন্য ডাক্তাররা দিনে অন্তত ২টি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন। এছাড়া যারা ডায়েট করেন তারা এর থেকে বেশি ডিম খেয়ে থাকেন। পোচ, ফ্রাই কিংবা সিদ্ধ করে ডিম খাওয়া পছন্দ করেন অনেকে। কিন্তু সাধারণত ডিম খাওয়ার পর এর খোসা ফেলে দেয়া হয়। তবে আপনি হয়তো জানেন না এই খোসাগুলো যে ঘরের বিভিন্ন কাজ থেকে শুরু করে রূপচর্চায় ব্যবহার করা যায়।

রান্নার পাত্রের পোড়া দাগ তুলতে প্রথমে ডিমের খালি খোসাগুলো গুঁড়া করে নিন। এবার পাত্রের মধ্যে খোসার গুঁড়া, লবণ এবং জল  দিয়ে ফুটিয়ে নিন। জল ফুটে উঠলে ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন পোড়া দাগ সহজেই উঠে গেছে।

ব্লেন্ডারের ব্লেডগুলো ধারাল করতে এবং ভিতরের জমে থাকা ময়লা সহজে দূর করতে ডিমের খোসা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন। এরপর ব্লেন্ডারে সামান্য জল দিয়ে ঠাণ্ডা ডিমের খোসা ব্লেন্ড করুন। দেখবেন ভিতরের ময়লা পরিষ্কার হয়ে গেছে।

গাছের সার হিসেবে ডিমের খোসার তুলনা হয় না। খোসাগুলো গুঁড়া করে গাছের নিচে দিন।
বাগানকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে ডিমের খোসা গুঁড়া করে ছিটিয়ে দিন। এতে পোকামাকড় বাগানে আসার সাহস পাবে না।

ঘরে তৈরি করুন ডিমের খোসা দিয়ে স্ক্রাব। ডিমের খোসা গুঁড়া করে তাতে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নিন এবং মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। কিছুক্ষণ পর কুসুম গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক পরিষ্কার এবং নরম থাকবে।

যারা কফির তিতা স্বাদ পছন্দ করেন না তারা কফি দানার সাথে কিছু ডিমের খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এরপর কফি ছেঁকে নিন। ডিমের খোসা কফির তিক্ততা অনেকটা কমিয়ে আনবে।

ত্বকের র‌্যাশ, চুলকানি, পোকার কামড়ের জ্বালা দূর করতে ডিমের খোসা ব্যবহার করুন। ভিনেগাররে মধ্যে ডিমের খোসা ২ থেকে ৩ দিন ভিজিয়ে রাখুন। খোসাগুলো ভিনেগারে মিশে গেলে মিশ্রণটি লাগান। এতে জ্বালা পোড়া কমে যাবে।