আমাদের জীবনে ফলের প্রয়োজন কতটা?

228
আমাদের জীবনে ফলের প্রয়োজন কতটা?

টিফিনে অন্যান্য খাবারের সঙ্গে ফল খেলে কি উপকার মেলে? গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিনিয়ত টিফিনে ফল খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে মেনে আরও অনেক উপাকার। যেমন…

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়

দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখেন নাকি? তাহলে ব্রেকফাস্টের মেনুতে ফল থাকা চাইই-চাই। কারণ নিয়মিত খালি পেটে ফল খেলে শরীরে উপকারি ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেলের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমানোর পাশাপাশি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

ওজন কমে

অতিরিক্ত ওজনেরে কারণে যারা বেজায় চিন্তায় রয়েছেন, তারা নিয়মিত ব্রেকফাস্টে যদি ফল খাওয়া শুরু করুন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার মেলে। কারণ ফলের অন্দরে থাকা একাধিক পুষ্টিকর উপাদান একদিকে যেমন শরীরে মজুত টক্সিক উপাদানদের বের করে দিয়ে ওজন হ্রাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, তেমনি অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে কম খেলে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা একেবারেই থাকে না বললেই চলে।

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে তোলে

বেশিরভাগ ফলে উপস্থিত ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান দেহের অন্দরের শক্তি এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে রোগ প্রতিরোধ ব্য়বস্থা ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে উঠতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ছোট-বড় নানা রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়, সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

উপোসের পরে ফল মাস্ট

সারা রাত উপোস থাকার পর সকাল বেলা ফল দিয়ে দিনটা শুরু করলে একদিকে যেমন হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে, তেমনি ফল হজম হতে একেবারেই সময় লাগে না, ফলে বদহজম বা ঐ জাতীয় কোনও সমস্য়া হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। তাই যারা প্রায়শই গ্যাস-অম্বলের সমস্যা ভুগে থাকেন, তাদের নিয়ম করে সক্কাল সক্কাল ফল খাওয়া উচিত।

খালি পেটে ফল খেলে অ্যাসিড হয় না

সক্কাল সক্কাল ফল খাওয়া মানেই চোরা ঢেকুর আর অ্যাসিডিটির কবলে পরা এমন ধারণার কিন্তু কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। কারণ ফল খাওয়া মাত্র অ্যাসিড হওয়ার কোনও সম্ভাবনা তো থাকেই না। উল্টে শরীরে অ্যাসিড এবং অ্যালকেলাইনের ভারসাম্য ঠিক হতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অ্যাসিডিটি এবং গ্য়াস-অম্বলে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।