সুস্থ থাকতে গালাগাল করুন,গবেষণা বলছে

197
সুস্থ থাকতে গালাগাল করুন,গবেষণা বলছে

আত্মীয় কিংবা বন্ধুবান্ধবের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যাদের মুখের ভাষা খুব খারাপ। কথায় কথায় গালাগালের অ.আ.ক.খ সবই তারা বলে থাকেন।

এই সব ‘মধুর বচন’ শুধু পরিবারের গুরুজন বা শিশুদের সামনে নয়, পাড়া-প্রতিবেশীদের সামনে মুখ ফসকে বেরিয়ে পড়লেই কেলেঙ্কারি। তবে যে যাই বলুন না কেন, মনোবিজ্ঞানী ও গবেষকরা এই অভ্যাসকেই সুস্থ থাকার সহজ উপায় হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।

মানসিক চাপ, মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা, অবসাদ কমানোর ক্ষেত্রে গালাগালের অভ্যাস খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। একাধিক মার্কিন গবেষণায় এর প্রমাণ মিলেছে। এই ধারণার সঙ্গে একমত ব্রিটিশ গবেষক এবং মনোবিজ্ঞানীরাও।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক ও ফলিত ভাষাতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কিরিকুস অ্যান্টনিও জানান, গালাগাল আসলে মন থেকে রাগ, ক্ষোভ বের করে দিয়ে মানসিক চাপ কাটানোর একটি সহজ উপায়।

আরো দেখুন- বিয়ে করা ঝামেলা তাই বউ ভাড়া করে দাম্পত্য জীবন কাটান!

তার মতে, যেসব মানুষ উত্তেজিত হলেও গালাগাল দিতে পারেন না বা দেন না, তাদের মধ্যে মানসিক অবসাদ, উচ্চ রক্তচাপ-সহ নানা স্নায়ুবিক সমস্যা দেখা যায়।

শুধু তাই নয়, কখনো এসব ব্যক্তিদের মধ্যে দ্বৈত ব্যক্তিত্বের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তুলনায় যারা সহজে গালাগাল দিয়ে ফেলেন, তারা অনেক বেশি সুস্থ থাকেন।

তাই মার্কিন গবেষক এবং মনোবিজ্ঞানীদের মতে, মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ, অবসাদ, ক্ষোভ কাটাতে প্রয়োজনে একান্তে গালাগাল দেওয়া ভালো। তবে স্থান-কাল-পাত্র জ্ঞান থাকাটা অত্যন্ত জরুরি।