পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের লক্ষণগুলি দেখে নিন এক নজরে

238
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের লক্ষণগুলি দেখে নিন এক নজরে

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম বা পিসিওএস এমন একটি জটিলতা যা প্রতি ১০ জনে ১ জন নারীকে আক্রান্ত করতে পারে। অনেক নারীই এই জটিলতা নিয়ে বসবাস করলেও তা টের পান না।  গর্ভধারণ করতে গেলে অবশ্য তা ধরা পড়ে। পিসিওএস আছে এমন ৭৫ শতাংশ নারীর জন্য গর্ভধারণ বেশ কষ্টকর।

যাদের পিসিওএস আছে তাদের শরীরে মেল হরমোন বেশি তৈরি হয়।  ফলে ওভারি বড় হয়ে যায় এবং এর ভেতরে অনেকগুলো ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হয়। এই সমস্যাটির অনেক লক্ষণ আছে যা নারীরা সাধারণত এড়িয়ে যান। কিন্তু এসব লক্ষণ দেখা দিলে এমন ডাক্তার দেখানো উচিত যিনি পিসিওএস চিকিৎসায় সিদ্ধস্ত।

১) মাথার চুল পাতলা হয়ে যাওয়া:-মাথার চুল পাতলা হয়ে যায় এমনকি চুল খুব পড়া শুরু করে পিসিওএস থাকলে। কপালের দুই পাশ থেকে চুল কমতে শুরু করে সাধারণত।

২) শরীরে লোম বেড়ে যাওয়া:- মুখ, বুক, পিঠ এবং হাতে লোম বেড়ে যেতে পারে। মূলত পুরুষের মত শরীরে লোম গজাতে পারে কারণ পিসিওএস থাকলে শরীরে পুরুষের অ্যান্ড্রোজেন হরমোন বেশি হয়। ফলে এ ধরণের লোম বাড়তে থাকে।

৩) অতিরিক্ত ওজন:- পিসিওএস আছে এমন নারীদের অনেকেই অতিরিক্ত ওজন নিয়ে বিপদে পড়েন। এই ওজন তারা কমাতেও পারেন না সহজে।

৪) অস্বাভাবিক পিরিয়ড:-এর মানে হতে পারে অনিয়মিত পিরিয়ড, পিরিয়ড লম্বা সময় বন্ধ থাকা, এমনকি এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে রক্তপাত। পিসিওএস আছে এমন নারীদের বছরে আট বা তারও কম বার পিরিয়ড হতে পারে। অথবা প্রতি ২১ দিন বা তারও কম সময় পর পর হতে পারে।

৫) ব্রণের উপদ্রব:- মুখে, পিঠে বা বুকে ব্রণ হতে পারে পিসিওএসের কারণে। এই ব্রণ হলো হরমোনাল অ্যাকনি এবং থুতনির আশেপাশে দেখা যায়