লিউকোরিয়া মেয়েদের গোপন রোগ, যে রোগটির কথা মেয়েরা বলতে চান না

433
লিউকোরিয়া মেয়েদের গোপন রোগ

নারীরা গোপন কোন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগলেও লজ্জার কারণে তা বলেন না এমনকি চিকিৎসকের কাছেও যান না। ফলে তারা এই রোগে ভুগতে থাকেন দীর্ঘদিন যাবত। লিউকোরিয়া নারীর এমনই একটি অস্বস্তিকর স্বাস্থ্য সমস্যা। লিউকোরিয়াকে সাদা স্রাব ও বলা হয়। এই সমস্যাটির ক্ষেত্রে মেয়েদের যোনীপথ দিয়ে সাদা বা হলুদ রঙের ঘন তরল বের হয়। সাধারণত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণু দূর করার জন্য ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ হয়ে থাকে এবং এটি থাকে স্বচ্ছ ও গন্ধহীন। কিন্তু লিউকোরিয়ার ক্ষেত্রে নির্গত তরল ঘন ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়। নারীর এই বিব্রতকর স্বাস্থ্য সমস্যাটির বিষয়ে জানবো আজকের প্রতিবেদনে।

সাদা স্রাব দুই ধরণের হয়ে থাকে – ফিজিওলজিক্যাল বা শারীরবৃত্তীয় ও প্যাথলজিক্যাল। উত্তেজনা বা স্নায়বিক দুর্বলতার কারণে ভেজাইনাল ডিসচার্জ হলে তাকে ফিজিওলজিক্যাল লিউকোরিয়া বলে। ফিজিওলজিক্যাল লিউকোরিয়া হয়ে থাকে যাদের– নবজাতক বিশেষ করে মেয়ে শিশুদের হয়ে থাকে কারণ তাদের শরীরেও মায়ের মত ইস্ট্রোজেন হরমোন থাকে, মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকালে, গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে এবং ডিম্বস্ফোটনের সময় এবং যৌন উত্তেজনার কারণে।

প্যাথলজিক্যাল লিউকোরিয়া হয়ে থাকে অপর্যাপ্ত পুষ্টি এবং খারাপ স্বাস্থ্যের কারণে। জনন নালীর অকার্যকারিতার কারণেও হয়ে থাকে প্যাথলজিক্যাল লিউকেরিয়া। কিছু ক্ষেত্রে শারীরবৃত্তীয় কারণেও হয়ে থাকে এই রোগ। অনেক নারীদেরই প্রসবের পরে লিউকোরিয়ায় আক্রান্ত হতে দেখা যায়, যার সাথে দুর্গন্ধ ও পিঠে ব্যথাও হয়, যা জরায়ুর সংক্রমণকে নির্দেশ করে।

লক্ষণ:- লিউকোরিয়ার তীব্রতা একেকজন নারীর ক্ষেত্রে একেক রকম হয়ে থাকে। সাধারণ যে লক্ষণগুলো দেখা যায় সেগুলো হচ্ছে-

১. কোমরে ও পায়ে ব্যথা হয়

২. নির্গত তরল ফেনার মত ও বাজে গন্ধযুক্ত হয়

৩. সাদা বা হলদেটে ডিসচার্জ বের হওয়া

৪. ক্লান্ত ও দুর্বল অনুভব করা

৫. পরিপাকের সমস্যা

৬. চুলকানি

৭. কোষ্ঠকাঠিন্য

৮. ঘন ঘন মাথাব্যথা হওয়া

৯. উদর অঞ্চল ভারী মনে হওয়া

১০. বিরক্তভাব

১১. চোখের নীচে কালি পড়া, দীর্ঘমেয়াদী লিউকোরিয়ার ক্ষেত্রে বিরক্তিভাব এবং চোখের নীচে কালি পড়া সাধারণ লক্ষণ।

কারণ:- অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে যদি শরীরে অস্বাভাবিক বিষাক্ত পদার্থ জমা হয় তাহলে কিডনি, উদর ও ত্বকের দ্বারা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়া কঠিন হয়ে যায় শরীরের জন্য। ফলে শরীর এই বিষাক্ত পদার্থ দূর করে দিতে চেষ্টা করে ঘন ও দুর্গন্ধযুক্ত ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জের মাধ্যমে। ক্রনিক লিউকোরিয়ার ক্ষেত্রে সাদা, হলুদ অথবা সবুজাভ স্রাব হয় এবং পুঁজও থাকতে পারে। লিকোরিয়ার সাধারণ কারণগুলো হচ্ছে-

১. মনিলিয়াল ভ্যাজাইনিটিস, ট্রাইকোমোনাল ভ্যাজাইনিটিস বা সারভিসিটিস এর মত সমস্যার কারণে হতে পারে

২. অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস

৩. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা

৪. জননাঙ্গ পরিষ্কার না রাখা

৫. অতিরিক্ত চুলকানির কারণে আঘাত পাওয়া

৬. ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের সংক্রমণ হওয়া

৭. বদহজম

৮. কোষ্ঠকাঠিন্য

৯. রক্তশূন্যতা

১০. ডায়াবেটিস ও ম্যানোরেজিয়া (পিরিয়ডের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হওয়া)

১১. স্ট্রেস ও অ্যাংজাইটি

সাধারণত তরুণীদের পিরিয়ডের পূর্বে ও পরে হয়ে থাকে লিকোরিয়া। তাদের ক্ষেত্রে ময়লা, অন্ত্রের জীবাণু, ভেজা বা নোংরা অন্তর্বাস পরার কারণেও হতে পারে লিকোরিয়া। তরুণীদের ক্ষেত্রে মাসিক হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে হয়ে থাকে যখন মিউকাস মেমব্রেন ঘন থাকে। বয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রে গনোরিয়ার মত স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে হয়ে থাকে লিউকোরিয়া।

প্রতিকার:- লক্ষণ শনাক্ত করাই লিউকোরিয়ার নিরাময়ের প্রথম পদক্ষেপ। সঠিক কারণ নির্ণয়ের পরে চিকিৎসক সেবন করার জন্য ঔষধ দেবেন অথবা অয়েন্টমেন্ট বা ক্রিম ব্যবহারের জন্য বলবেন। কিছু ঘরোয়া উপায়ও লিউকোরিয়ার নিরাময়ের ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

১) ১ গ্লাস জলে ১ চামচ ধনের বীজ দিয়ে সারারাত রেখে দিন এবং সকালে খালিপেটে এই জল পান করুন। ১ সপ্তাহ নিয়মিত পান করে দেখুন ভালো ফল পাবেন।

২) ১ লিটার জলে ২-৩ চা চামচ মেথি বীজ দিয়ে আধা ঘন্টা সিদ্ধ করুন। এরপর এই পানীয়টি পান করুন।

ডায়েট:- লিউকোরিয়ার নিরাময়ের ক্ষেত্রে ডায়েট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন টকদই খেতে পারেন। তাজা ফল ও সবজি আপনার দৈনিক ডায়েটের অংশ হবে। ফাইবার, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য গ্রহণ করা শুধু আপনাকে লিউকোরিয়া থেকে নিরাময় লাভ করতেই সাহায্য করবেনা বরং এর পুনরায় হওয়াও প্রতিরোধ করবে।

পরামর্শ:– লিউকোরিয়ার সমস্যা প্রতিরোধের জন্য সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। নিয়মিত অন্তর্বাস পরিষ্কার করুন। প্রতিদিন ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। লিউকোরিয়া থেকে নিরাময় লাভ করার জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়া প্রয়োজন।

গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া:- প্রত্যেকটি মেয়েরই বয়ঃশন্ধির এক বা দু বছর আগে থেকে ভ্যাজিনাল ডিসচার্জ বা স্রাব নির্গত হতে পারে যা মেনপজ এর পর বন্ধ হয়ে যায়। সাদা স্রাব নির্গত হওয়ার পরিমান বিভিন্ন সময় পরিবর্তিত হতে পারে। সাধারনত পিরিয়ডের আগে এর পরিমান বেড়ে যায়। এ স্রাব সাধারণত গন্ধবিহীন বা হাল্কা গন্ধযুক্ত, দুধের মত সাদা বা পরিষ্কার হয়ে থাকে যা লিউকোরিয়া নামেও পরিচিত।

গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাব নির্গত হওয়া কি স্বাভাবিক:– গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাব নির্গত হওয়া খুবই স্বাভাবিক। অন্য সময়ের তুলনায় গর্ভাবস্থায় এর পরিমাণও বেশী থাকে কারণ গর্ভাবস্থায় এস্ট্রজেন হরমোন এর পরিমান বেড়ে যায় এবং যোনীর আশপাশে এসময় রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। গর্ভাবস্থায় জরায়ুমুখ (Cervix) এবং যোনীর দেয়াল নরম হয়ে যায়। তাই এ সময় স্রাবের নির্গত হওয়ার পরিমান বেড়ে যায় যাতে যোনী থেকে কোন সংক্রমণ উপরের দিকে জরায়ুতে পৌছাতে না পারে।

প্রসবের সময় যত এগিয়ে আসে স্রাবের পরিমান তত বাড়তে থাকে। এর কারণ হোল প্রসবের সময় যত এগিয়ে আসে বাচ্চার মাথা তত বেশী জরায়ুমুখের উপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। এর ফলে স্রাব আরও বেশী পরিমানে নির্গত হয়।

গর্ভাবস্থার শেষের দিকে স্রাবের পরিমান এতটাই বেড়ে যেতে পারে যে তা প্রস্রাবের মত মনে হতে পারে। শেষ এক বা দু শপ্তাহ আগে স্রাবের সাথে ঘন শ্লেষ্মা বা রক্তের রেখা দেখে যেতে পারে। এর নাম “শো” (show)। এটা হয় যখন জরায়ুতে যে শ্লেষ্মাগুলো জরায়ুমুখ সীল করে রাখে (মিউকাস প্লাগ) তা স্রাবের সাথে বেড়িয়ে আসে। এটা মায়ের শরীরের প্রসবের জন্য তৈরি হওয়ার লক্ষন। প্রসব যন্ত্রণা শুরু হওয়ার আগে দু তিনবার এ ধরনের “শো” দেখা যেতে পারে। এর মাধ্যমে বোঝা যায় প্রসবের সময় কাছাকাছি।

যদিও গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাব নির্গত হওয়া স্বাভাবিক তারপরও সবার উচিত এর দিকে নজর রাখা এবং কোন পরিবর্তন দেখা গেলেই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া।

ভ্যাজিনাল ডিসচার্জ বা স্রাব নির্গত হওয়া কখন ঝুঁকির কারন:- নির্গত হওয়া স্রাব যদি সবুজ বর্ণের হয়, গন্ধযুক্ত হয় বা মায়ের যদি ব্যাথা অনুভুত হয় বা কোন কারণে তা অস্বাভাবিক মনে হয় তবে তা ইনফেকশন বা অন্য কোন সমস্যার লক্ষন হতে পারে। যদি নিচের লক্ষনগুলো দেখা দেয় তবে দেরী না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের সাথে আলোচনা করুন-

আপনার যদি ৩৭ সপ্তাহ হওয়ার আগেই স্রাবের পরিমান বেড়ে যায় বা স্রাবের ধরন পরিবর্তন হয়ে যায় তবে তা ডাক্তারকে জানান। উদাহরণস্বরূপ, যদি স্বচ্ছ বা জলের মত তরল নির্গত হয় বা স্রাব দেখতে ঘন এবং থকথকে হয়ে যায় তবে তা প্রি-টার্ম লেবারের লক্ষন হতে পারে।

যদি ভাল্ভা বা যোনিমুখ ফুলে যায় বা গন্ধবিহীন সাদা স্রাব নির্গত হয় যার ফলে প্রস্রাবের সময় ও শারীরিক মিলনের সময় ব্যাথা হয়, চুলকানি বা জ্বলুনি হয় তবে তা ইস্ট ইনফেকশনের লক্ষন হতে পারে।

যদি মেছো গন্ধযুক্ত, পাতলা, সাদা বা ধুসর বর্ণের স্রাব নির্গত হয় যা শারীরিক মিলনের পরে বেশী বোঝা যায় ( স্রাব যখন বীর্যের সাথে মিশে যায়) তবে তা ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস বা যৌনাঙ্গের ইনফেকশনের লক্ষন হতে পারে।

নির্গত হওয়া স্রাব যদি হলুদ বা সবুজ বর্ণের হয় এবং গন্ধযুক্ত হয় তবে তা trichomoniasis এর লক্ষন হতে পারে যা একটি যৌন বাহিত রোগ। এ রোগের অন্যান্য লক্ষনগুলো হোল- ভাল্ভা বা যোনী লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি হওয়া এবং প্রস্রাব ও শারীরিক মিলনের সময় ব্যাথা অনুভুত হওয়া।

যদি স্রাবের ধরন ও পরিমান স্বাভাবিকের চাইতে পরিবর্তিত হয়ে যায় বা তীব্র গন্ধযুক্ত হয় তবে দেরী না করে ডাক্তারকে জানানো উচিত।

মনে রাখা উচিত লক্ষনগুলো নির্ণয় করা আপনার পক্ষে কঠিন হতে পারে। সাধারণ লক্ষনগুলো যেমন চুলকানি, জ্বলুনি ইত্যাদি দেখা না দিলেও আপনি ইনফেকশনের শিকার হতে পারেন। যদি মনে হয় আপনি ইনফেকশনের শিকার হয়েছেন তবে নিজে নিজে তার চিকিৎসা করতে যাবেন না। এক্ষেত্রে লজ্জা বা অস্বস্তি বোধ না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়াটা সবচাইতে বেশী প্রয়োজন।

স্রাব নির্গত হচ্ছে নাকি এমনিওটিক ফ্লুইড, তা কিভাবে বোঝা যাবে:- গর্ভাবস্থায় তিন ধরনের তরল নির্গত হয়- স্রাব, প্রস্রাব এবং এমনিওটিক ফ্লুইড। প্রত্যেকটির আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকে তাই হয়তো ভালোভাবে খেয়াল করলে আপনি হয়তো পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

এমনিওটিক ফ্লুইড:- এমনিওটিক ফ্লুইডের সাধারণত নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো থাকে-

১. এটা সাধারনত বর্ণ ও গন্ধবিহীন হয়। মাঝে মাঝে মিষ্টি গন্ধযুক্ত হতে পারে।

২. হাল্কা রক্ত বা সাদা শ্লেষ্মার চিহ্ন থাকতে পারে।

৩. এমনিওটিক ফ্লুইড সাধারণত একটানা নির্গত হতে থাকে। এটি ফোঁটা ফোঁটা করে ঝরতে পারে বা হঠাত ফিনকি আকারেও বেড়িয়ে আসতে পারে।

৪. প্রস্রাবের পর ব্লাডার খালি হয়ে যাওয়ার পরও যদি তরল নির্গত হতে থাকে তবে তা এমনিওটিক ফ্লুইড হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।

প্রস্রাব:- প্রস্রাবের সাধারণত নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো থাকে-

১. স্বচ্ছ হলুদ বর্ণের বা আরও গাঁড় বর্ণের হয়।

২. অ্যামোনিয়ামের গন্ধ যুক্ত হয়।

৩. গর্ভাবস্থার শেষের দিকে প্রস্রাব বেড়িয়ে আসা স্বাভাবিক কারণ এ সময় বাচ্চা ব্লাডার এর উপর চাপ প্রয়োগ করে।

স্রাব:-

১. সাধারণত সাদা বা হলুদ বর্ণের হয়।

২. এমনিওটিক ফ্লুইড এবং প্রস্রাবের চাইতে ঘন হয়।

৩. গন্ধযুক্ত বা গন্ধবিহীন হতে পারে কিন্তু প্রশ্রাবের মত গন্ধ হবে না।

৪. স্রাব সাধারণত বিক্ষিপ্তভাবে, এবং অল্প পরিমানে নির্গত হয়।

আপনার যদি মনে হয় এমনিওটিক ফ্লুইড নির্গত হচ্ছে তবে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এটা খুবই জরুরী কারণ তা প্রসব বেদনা শুরু হওয়ার লক্ষন হতে পারে।

স্রাব নির্গত হওয়ার ব্যাপারে কি করা যেতে পারে:- গর্ভাবস্থায় স্রাব নির্গত হওয়া স্বাভাবিক বিষয় তাই এটি বন্ধ করার কোন উপায় নেই যদি না তা কোন ইনফেকশনের কারণে হয়। তবে নিচের কিছু উপায় অবলম্বন করে যৌনাঙ্গ পরিষ্কার ও রোগমুক্ত রাখা যেতে পারে।

হট টাব বা বাথ টাব এ স্নান না করে শাওয়ার নেয়ার চেষ্টা করুন। স্নানের পর যৌনাঙ্গ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে এবং শুষ্ক রাখতে হবে। সুগন্ধি যুক্ত ও রুক্ষ সাবান পরিহার করুন। পরিষ্কার করার সময় সবসময় সামনে থেকে পেছনের দিকে মুছুন।

সুতি কাপড় নরম এবং অধিক ত্বকবান্ধব। বায়ু চলাচল ও দ্রুত আদ্রতা শুষে নেয় সুতি কাপড়।নিয়মিত পড়ার জন্য সুতি কাপড়ের অন্তর্বাস সবচেয়ে ভালো। টাইট জামাকাপড় এড়িয়ে চলুন। কারণ এই ধরনের পোশাক বায়ু চলাচলে বাধা তৈরি করে।Douche ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এমনিতেও গর্ভাবস্থায় Douche এর ব্যাবহার উচিত নয়। এর ফলে যৌনাঙ্গে ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং ইনফেকশনের ঝুঁকি বেড়ে যায়।