চাঞ্চল্যকর খবর: ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঠাকুমাকে খুন গল্পের আসরে , স্বীকারোক্তি ফেসবুক লাইভে

26
ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঠাকুমাকে খুন গল্পের আসরে , স্বীকারোক্তি ফেসবুক লাইভে

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘরে বসে গল্প গুজব করার সময় নাতির হাতে খুন হলেন ঠাকুমা। হুগলির ব্যান্ডেলের কেওটা কুলতলির ঘটনা। অভিযুক্ত নাতির নাম ইন্দ্রনীল রায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান মানসিক ভারসাম্যহীন ইন্দ্রনীল নিজের রাগের বসেই ঠাকুমাকে খুন করেছেন।

সূত্রের খবর, সোমবার সকালে ইন্দ্রনীলের ঠাকুমা মা ও তাঁর বাবা একটি ঘরে বসে গল্প করছিলেন। বেশ কিছুক্ষণ চলার পর হঠাত্ ধারালো অস্ত্র নিয়ে ইন্দ্রনীল তাঁর মা বাবা ও ঠাকুমার দিকে তেড়ে যান। ছেলের হাত থেকে বাঁচতে কোনও মতে তার বাবা ও মা ঘর থেকে পালিয়ে গেলেও বৃদ্ধা ঠাকুমা ঘর থেকে বেরোতে পারেননি। ঠিক তখনই ইন্দ্রনীলের হাতে আক্রান্ত হন বৃদ্ধা ঠাকুমা। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন মাটিতে এবং পরে মৃত্যু হয়। পাশাপাশি ইন্দ্রনীলের অস্ত্রের আঘাতে তাঁর বাবা ও মা জখম হন বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ঘটনার খবর পেয়ে ইন্দ্রনীলের বাড়িতে যাওয়ার পর পুলিশ দেখে ইন্দ্রনীল তাঁর ঠাকুমাকে ঘরের মধ্যে দরজা বন্ধ করে রেখে দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয় পুলিশের ওপরও চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে ইন্দ্রনীল। পরে পুলিশি তত্পরতায় ইন্দ্রনীলের ঠাকুমাকে উদ্ধার করার পর ইন্দ্রনীল ফেসবুক লাইভে এসে নিজের খুনের কথা স্বীকার করে নেন এবং ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। পরে পুলিশ ইন্দ্রনীলকে উদ্ধার করে। আপাতত চুঁচুড়া থানার পুলিশ আধিকারিকদের হেফাজতে রয়েছে ইন্দ্রনীল।

তবে কেন হঠাত্ ঠাকুমাকে খুন করতে গেল ইন্দ্রনীল? প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন রবিবার রাতে ইন্দ্রনীল দের বাড়িতে প্রচণ্ড চেঁচামেচির আওয়াজ শোনা যায়। প্রায়ই নাকি ইন্দ্রনীল তুচ্ছ কারণেই তাঁর বাবা মার সঙ্গে ঝগড়া করতেন। কিন্তু সেই ঝগড়ার ফলে সে যে খুন উক্তি করতে পারে তা মোটেও বিশ্বাস করতে পারছেন না প্রতিবেশীরা।