নাতি নাতনিদের কথাই বিয়ের পিঁড়িতে ৮০ বছরের দাদু ও ৭০ বছরের মহিলা, ভাইরাল বিয়ের ছবি

120

বিবাহ হলো এমন একটি বন্ধন যেখানে সারা জীবনের জন্য সংসারের মধ্যে আবদ্ধ পড়ে যান দুটি ভিন্ন প্রকৃতির মানুষ। তারপর থেকে শুরু হয় তাদের যাত্রা। একে অপরের পাশে থেকে ভালোবেসে বৈবাহিক জীবন সম্পন্ন হয় প্রত্যেক মানুষের। এমনই একজন ছিলেন রিলীপ কুমার। আজ থেকে ৫০ বছর আগে আত্রাই নদীর ধারে বাংলাদেশের একটি গ্রামে বিয়ে হয়েছিল তার। বিয়ে করেছেন গৌরী রায়ের সঙ্গে।

এরপর কেটে গেছে বহু বছর। ছেলে মেয়ে নাতি এবং নাতনিদের নিয়ে তাদের সুখের সংসার। বয়সের অন্তিম লগ্নে এসে আরো একবার যে তাদের বিয়ে করতে হবে, তা হয়তো স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি তারা।তবে শেষ বয়সে এসে বিয়ে করতে বসে বেজায় আনন্দ পেয়েছেন তারা। দাদু এবং ঠাকুরমার ৫৬ তম বিবাহ বার্ষিকীতে ঘটা করে তাদের বিয়ে দিলেন তাদের নাতি-নাতনি এবং ছেলে বউমারা।

রীতিমতো নিয়ম মেনে সুসজ্জিত ছাতনা তলায় শুভদৃষ্টি থেকে শুরু করে মালাবদল, এমনকি সিঁদুর দান ও হলো প্রথামত। শনিবার রাতে ঘরোয়া অনুষ্ঠান হলেও রবিবার রীতিমতো আত্মীয়স্বজনকে ডেকে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল।

আগামী প্রজন্মের কাছে এমন একটি উপহার পেয়ে রীতিমতো খুশি এই দম্পতি। ছেলে মেয়ে এবং নাতি-নাতনিদের আনন্দেই তাদের আনন্দ, এমনই কথা বলেছেন এই বৃদ্ধ দম্পতি। যেখানে একদিকে আমাদের সমাজে বৃদ্ধাশ্রম এর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে, সেখানে দাদু ঠাকুমার জন্য এমন এলাহী আয়োজন সত্যিই দেখার বিষয়। পরিবারই আসল সুখ দিতে পারে আমাদের, এ কথা আরো একবার স্পষ্ট হয়ে গেল।

বর্তমান প্রজন্ম কিছু বোঝেনা, এ কথা বহুবার শোনা গেছে অনেকের মুখেই। তবে বর্তমান প্রজন্মের মানুষের মতো বোধ হয় ভাবনা চিন্তা করতে পারবেন না আমাদের ঠাকুরমা ঠাকুরদা রা। আর ঠিক সেই কারণেই কোথাও হয়তো ঠাকুরমা ঠাকুরদার বিবাহ বার্ষিকী পালন করা হয় অনবদ্যভাবে আবার কোথাও বাবার নতুন করে বিয়ে দেওয়া হয়।