পন্ডিত চাণক্যর এই কয়েকটি কথা মানলে জীবনের ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠবেন সহজেই

8989

ভারতের সর্বকালীন প্রখর রাজনৈতিক, কূটনৈতিক বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তি হলেন কৌটিল্য চাণক্য। তার প্রখর জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেচনার ক্ষমতার নিদর্শন রয়েছে তাঁর রচিত অর্থশাস্ত্রে। সেই কৌটিল্য নীতি অনুসরণ করলে সহজেই জীবনে যে কোনো ক্ষেত্রে জয়লাভ সম্ভব। তিনি কখনোই ব্যর্থতাকে জীবনে বাধা হিসেবে দেখেন নি। সেই ব্যর্থতাকেই কিভাবে জয়ে রূপান্তরিত করা যায়, সেই শিক্ষাই আজীবন তার ছাত্রদের দিয়ে এসেছেন তিনি।

তিনি তার অনুভব থেকে সর্বদা এই শিক্ষাই দিয়েছেন যে, ব্যর্থতা এবং সাফল্য একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ব্যর্থতা কখনোই মানুষকে হতাশার দিকে এগিয়ে দিতে পারেনা। বরং তাকে সফলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। চাণক্য মতে, খারাপ পরিণতির জন্য শোক প্রকাশ করা কার্যত কাপুরুষোচিত আচরণের বহিঃপ্রকাশ। কঠোর পরিশ্রম করলে সাফল্য আসবেই। তবে কোনো ক্ষেত্রে যদি তার ব্যতিক্রম হয়, তাহলেও হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই।

চাণক্য বুঝিয়েছিলেন, জীবনে ব্যর্থতা এলে আতঙ্কিত না হয়ে বরং আত্মসমীক্ষা করাই যুক্তিসংগত। কি কারনে ব্যর্থতার সম্মুখীন হতে হলো, সফলতার পথে কি কি বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, কিভাবে তা নিরূপণ করা সম্ভব হবে সে সম্পর্কে নতুন উদ্যমে ভাবনাচিন্তা শুরু করতে হবে। নিজের ভুল-ত্রুটি স্বীকার করে নিয়েই কাঙ্খিত লক্ষ্যের পথে আবারও যাত্রা শুরু করতে হবে। তবেই মিলবে সাফল্য।

চাণক্যের উপদেশ অনুসারে, জীবনে ব্যর্থতা বা দুর্বল মুহূর্ত যেন কোনোভাবেই আমাদের সংযম এবং ধৈর্যকে পরাহত করতে না পারে। সফলতা না মেলা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যেতেই হবে। দুর্বল মুহূর্তগুলিকে যদি ধৈর্যের সঙ্গে কাটানো সম্ভব হয়, তাহলে জীবনে সফলতা আসবেই। আর সেই সফলতাই আপনাকে তুষ্ট করতে পারে। গতকাল পর্যন্ত যারা আপনার সমালোচনায় মগ্ন ছিল, আপনি সফল হলে তারাই এসে আপনাকে অভিনন্দন জানাবে। অতএব হার স্বীকার করে নেওয়ার কোনো জায়গা নেই।