তারকেশ্বর মন্দিরের অজানা তথ্য! জেনে নিন

32

শ্রাবণ মাস মানেই বাবা তারকনাথের মাস। তাই তো হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষরা এই শ্রাবণ মাসেই হুগলি জেলার অন্যতম পিঠস্থান তারকেশ্বর মুখী হয়ে থাকেন। গঙ্গার ঘাট থেকে জল নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে তারকেশ্বর অবধি গিয়ে সেই জল বাবার মাথায় ঢেলে পূণ্য অর্জন করতে চান তাঁরা।

অতি প্রাচীন এই তারকেশ্বর মন্দিরের ইতিহাস অনেকেরই জানা নেই। কী ভাবে এই মন্দিরের উত্পত্তি বা কী ভাবেই এত জনপ্রিয়তা? তা অনেকেই জানেন না। শোনা যায় বিষ্ণু দাস নামে এক শিবভক্ত ব্যক্তি অযোধ্যা থেকে হুগলিতে এসে বসবাস করতে শুরু করেন। কিন্তু অন্য জায়গার বাসিন্দা হওয়ায় তাঁকে সকলেই সন্দেহের চোখে দেখতেন এবং এক সময় তিনি যে শত মানুষ তা প্রমাণ করার জন্য কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে।

লোহার দণ্ডকে ওই ব্যক্তিকে খালি হাতে ধরতে বলা হয় এতে তাঁর হাত পুড়ে যায় তখন মহাদেবকে মনে মনে ডাকতেন তিনি এমত অবস্থায় একদিন হঠাত্ জঙ্গলের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় কিছু গোরুকে দুধ দিয়ে আসতে দেখেন। কৌতূহল বশত বিষ্ণু দাস সেই জায়গায় অনুসরণ করে গিয়ে দেখেন একটি কালো পাথর রয়েছে।

সেই পাথরটি আসলে কী তা খুঁজতে গিয়ে মাটি খুঁটে খুঁটে অনেক গভীর অভিযান দেখেন কালো পাথরটি শেষ নেই। পরে জঙ্গল থেকে ফিরে এসে সেই রাত্রে বিষ্ণু দাস স্বপ্নাদেশ পান যে কালো পাথরটি তিনি করছিলেন সেটি আসলে তারকেশ্বরের বাবা মহাদেবের মূর্তি। তাই সেখানেই তিনি বাবা মহাদেবের মন্দির স্থাপন করে দেন যদিও এই মন্দিরটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বার পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। 1729 খ্রিষ্টাব্দে তারকেশ্বর মন্দির নির্মাণ হয় বলে শোনা যায়।