নিজের জীবনের গল্প বললেই মিলবে টাকা, হাতে প্ল্যাকার্ডনিয়ে ঘুরছেন যুবক

42

আমরা এখন কিন্তু সারাদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ গুঁজে বসে বসে থাকি, থাকবোই বা না কেন হাজার হাজার ফলোয়ার ফ্রেন্ডলিস্টে অগণিত বন্ধু তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্যই সর্বদা একটিভ থাকতে হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু কোনো জীবনের জটিল সমস্যায় তাদের মধ্যে পাশে পাওয়া যায় না একজন কেউ। তাছাড়া বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছোটবেলার সমস্ত বন্ধু এদিক ওদিক ছুটে বেড়ায়, বিশেষত নিজের কাজের সন্ধানেই ইঁদুর দৌড়ে যোগদান করে তারা। এরফলেই বন্ধু বিচ্ছেদ ঘটে, মনের জমা কথা মনেই জমে থাকে। এরফলেই তৈরি হয় ডিপ্রেশন।এই নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মত ডিপ্রেশন একটি জটিল রোগ যা ক্যান্সারের থেকেও ক্ষতিকর।

যারা ডিপ্রেশনের মধ্যে দিয়ে গেছে তারা জানে কি অবস্থা হয় মানুষের মনের। ২০১৯ সালের পুণের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র রাজ এই ডিপ্রেশনের খপ্পরে পড়েছিল। কিন্তু তার নিজের মনের জোর এবং পরিবারের সাহায্যার্থে এই কালো অন্ধকার দিক থেকে বেরিয়ে এসেছে। তাই সে ডিপ্রেশনের আসল মানেটা বোঝেন। তিনি চান অন্যদের যাতে এই কষ্টের মধ্যে দিয়ে না যেতে হয়। সেই কারণেই এখন তিনি নিজের কান ভাড়া দেন রাস্তায় রাস্তায়। সত্যি শুনে হয়তো অবাক লাগছে, কিন্তু এমনটাই করেন তিনি।রাজ পুনের রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত। এই কয়েক ঘন্টার মধ্যেই তিনি অচেনা লোকের মনের কথা শোনার চেষ্টা করেন।

হাতে থাকে তার একটি প্ল্যাকার্ড, যেখানে লেখা থাকে আপনি আপনার গল্প আমায় বলুন তার বদলে আমি আপনাকে ১০ টাকা দেব। গত ৬ ডিসেম্বর থেকেই কাজ শুরু করেছেন রাজ।তারপরেই একেবারে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছেন তিনি। তার এই কয়েক দিনের অভিজ্ঞতা এটি সংবাদমাধ্যমে শেয়ার করেছেন, তুমি বলেছেন আসলে বর্তমান সময়ে আমরা কারো সাথেই কথা বলি না, ঘরে ঢুকে আমরা চার দেয়ালে নিজেকে বন্ধ করিনি সোশ্যাল মিডিয়ার বেড়াজালে নিজেদের আটকে ফেলে। তাই তোরা মূলক এখন বেশিরভাগ মানুষ ডিপ্রেশনের শিকার। তাই আমি এই উদ্যোগ নিয়েছি মানুষের মনের অন্তরালে চাপা কথা শোনার উদ্দেশ্য, ইতিমধ্যে ১০০ জন অচেনা লোকের মনের কথা শুনে ফেলেছি সত্যি একটি অবাক করা বিষয়।