এই লক্ষণগুলি দেখা মাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কালাচের দংশনে আক্রান্ত!

126
এই লক্ষণগুলি দেখা মাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কালাচের দংশনে আক্রান্ত!

কালাচের দংশনের আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার ঝুঁকি নিয়ে আক্ষেপ সর্পদংশন প্রশিক্ষক ডা. দয়ালবন্ধু মজুমদারের।

১ জুলাই, ২০১৮, ডেবরা হাসপাতাল: ৩০ বছরের এক তরুণী হাসপাতালে ভর্তি হন। আগের রাতে মশারি ছাড়া ঘুমানো, সেইসঙ্গে সাথে শিবনেত্র। এরপর এভিএস দেওয়া হলে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফেরেন।
২২ আগস্ট, ২০১৯ রামপুর হাট মেডিক্যাল কলেজ : ১০ বয়সের মেয়ে পেটে ব্যথা অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর এভিএস দিলে তার মৃত্যু হয়। এরপর ভুল চিকিৎসার অভিযোগ ওঠে ডাক্তারের বিরুদ্ধে।

১৪ আগস্ট, ২০১১, ন্যাশনাল মেডিকেল : ফের অসুস্থ হওয়ায় রোগীকে ন্যাশনাল মেডিকেলে আনা হয় হোলি সন্ধ্যায় এক জুনিয়র ডাক্তার রোগীকে এভিএস দেন। তারপর রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে।
দু’টি ঘটনায় ডাক্তারবাবুরা রোগ নির্ণয় করে সঠিকভাবেই এভিএস দিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত দ্বিতীয় ক্ষেত্রে রোগীকে বাঁচানো যায়নি। কালাচ নামে রহস্যময় সাপ যা সাধারণত গভীর রাতে খোলা বিছানায় কামড়ায়। প্রায় ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগী জানতেই পারে না দংশনের কথা।
বিষাক্ত কালাচ দংশনের চিকিৎসায় দু’টি জিনিস ভাল করে জেনে রাখা দরকার। প্রথম দশটি এভিএস দেওয়ার পর সাধারণত পেটে ব্যথা, গলাব্যথা, গাঁটে ব্যথার মতো ‘প্রেজেন্টিং সিমটম’ কয়েক ঘণ্টায় চলে যায়। এর আগে সাঁইত্রিশ বছর বয়সের জোয়ান লোক পিঠে ব্যথা নিয়ে ভর্তির ঘণ্টা তিনেক পরে মারা যান। এবার হাসপাতালের নতুন ডাক্তাররা, শিবনেত্র দেখেও, কালাচের কামড় বোঝার পর ও যদি এভিএস দিতে অস্বীকার করেন তার দায় কার সেটাই দেখার বিষয়?