মশাবাহিত রোগ থেকে বাঁচারতে হলে একটি সহজ পথ মেনে চলুন

91
মশাবাহিত রোগ থেকে বাঁচারতে হলে একটি সহজ পথ মেনে চলুন

বর্ষাকাল মানেই মশার উপদ্রব। বর্ষার জমা জলেই ম্যালেরিয়া বা ডেঙ্গু মশার জন্ম হয়। তবে শুধু বর্ষার জল নয় নর্দমার জলেও এই দুই প্রকারের মশা জন্মাতে পারে। তাই মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে বাড়ির আনাচে কানাচে বা ঘরের মধ্যে নোংরা জমা না রাখার পরামর্শ দেন চিকিত্সকরা। চার প্রকারের মশা ম্যালেরিয়া বা ডেঙ্গুর জীবাণু ছড়ায়। আর সে গুলি হল-

1. প্লাসমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স- প্লাসমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স কারণেই শরীরে 60 শতাংশ ভাইরাস প্রবেশ করে। এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে সাধারণত জ্বর সর্দি কাশি ডায়রিয়া সহ অন্যান্য আনুসঙ্গিক শারীরিক সমস্যা দেখা যায়।
2. প্লাসমোডিয়াম ম্যালেরিয়া– এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে প্রচুর ঠান্ডার আগে এবং জ্বর আসে।
3. প্লাসমোডিয়াম ফেল্কিপেরাম- এই প্যারাসাইটের প্রভাব সব থেকে বেশি। ভয়াবহ সমস্যার মুখে পড়তে হয় মানুষকে।
4. প্লাসমোডিয়াম ও বেলো– এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে খুব সহজেই মরে না দীর্ঘ সময় অবধি শরীরে জীবিত থাকে। তাই এই সমস্ত
ভয়ঙ্কর মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে সর্বদা দরজা জানালা বন্ধ রাখতে হবে এবং মশারি ব্যবহার করতে হবে। আর ডেঙ্গির লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই এলাইজা পদ্ধতিতে চিকিত্সা করাতে হবে।