হাই ব্লাড প্রেশার এ বাঁচাতে চাইলে মেনে চলুন এই উপায়গুলি

103
হাই ব্লাড প্রেশার এ বাঁচাতে চাইলে মেনে চলুন এই উপায়গুলি

আজ ছোটো থেকে বুড়ো সবার ব্লাড প্রেশার। ১৫/১৬ বছরের বাচ্চাদের আজ হাই ব্লাড প্রেশার। অনেকে আবার প্রতিনিয়ত ওষুধ খায়, তাও কন্ট্রোলে থাকে না ব্লাড প্রেশার। কিন্তু এর থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় আছে। জেনে নিন সেই উপায়।

খাওয়া পরিবর্তন: আমাদের এই ব্লাড প্রেশার হওয়ার কারণ ফুড চার্ট। আমথা নিয়ম করে কোনো খাবারই খাই না। জাঙ্ক ফুড বেশী খাই হেলদি ফুডের থেকে। বেশী পটাশিয়াম জাতীয় খাদ‍্য খেতে হবে। বেশী করে জল খান।

সোডিয়াম বর্জন: সোডিয়াম মুক্ত খাবার খান। ভাত খাওয়ার সময়, পাতে কাচা লবণ খাবেন না। সাথে রান্নাতেও লবনের ব‍্যবহার কমিয়ে দিন।
শরীর চর্চা: ব্লাড প্রেশার কম করার মূল মন্ত্র শরীর চর্চা। সকালে উঠে দৈনিক শরীর চর্চা করলে কোনোদিন হাই ব্লাড প্রেশার হবে না। হালকা থেকে ভরী শরীর চর্চা সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন করে করুন।

মেদ ঝড়িয়ে ফেলুন: মেদ হল ব্লাড প্রেশারের মূল কারণ। পুরুষের কোমড় যদি ৪০ সেমির ওপর আর মহিলাদের ৩৫ সেমির ওপর থাকে। তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেদ ঝড়িয়ে ফেলুন। প্রতি ২২ পাউন্ড মেদ ঝড়ালে ১ মিমি/ পারদ ব্লাড প্রেশার কমবে।

ধূমপান, চা, কফি কম খান: চেষ্টা করুন নেশা মুক্ত থাকার। ধূমপান, মদ‍্যপান ত‍্যাগ করতে হবে। এগুলো যম। এগুলো অভ‍্যাস থাকলে কেউ হাই ব্লাড প্রেশারের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে না আপনাকে। তাছাড়া চা কফিও পারলে ছেড়ে দিন বা কম খান।

রক্তচাপ মাপুন: বাড়িতে রক্তচাপ মাপুন। এখন সবার বাড়িতেই ডিজিটাল মেশিন আছে, আর তাতে মাপা খুব সহজ। আর সপ্তাহে একবার করে মাপলে ফলাফল জানতে পারবেন ও তারফলে আপনার একটা লক্ষ‍্যমাত্রা তৈরী হবে।

স্ট্রেস লেভেল কমান: মানসিক চাপ, যার ফলে ব্লাড প্রেশার হুহু করে বাড়ে। এটাকে যতটা সম্ভব কম করতে হবে। আপনার মনকে আপনিই কন্ট্রোলে রাখতে পারবেন। উচ্চাকাঙ্ক্ষা কম রাখূন। এইসব মেনে চললে আপনাকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হাই ব্লাড প্রেশার ছুতে পারবে না।