এইসব উপায়ে মৃত্যুর সম্ভাবনা ঠেকানো সম্ভব, ঘুমের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকে

160
এইসব উপায়ে মৃত্যুর সম্ভাবনা ঠেকানো সম্ভব, ঘুমের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকে

হৃদরোগে যত মানুষ মারা যান তার মধ্যে ৫০% মানুষের ঘুমের মধ্যে হটাৎ করে মৃত্যু হয়। একে ‘সাডন কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’ বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হার্টের অন্যান্য দিক থেকে হৃদস্পন্দন একই সঙ্গে তৈরি হয়, ফলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, একে ভেন্ট্রিকুলার ট্যাকিকার্ডিয়া বলে৷

খানিক ক্ষণের মধ্যেই হার্ট এত কাঁপতে থাকে যে পাম্পিং প্রায় বন্ধ হয়ে যায়, একে ভেন্ট্রিকুলার ফিব্রিলেশন বলে৷ তারপর অক্সিজেনের অভাবে প্রথমে জ্ঞান চলে যায়, তড়িঘড়ি ব্যবস্থা না নিলে ৫–৭ মিনিটের মধ্যে মারা যান। তবে কিছু ব্যবস্থা নিলে এই হটাৎ মৃত্যু ঠেকানো যায়।

দেখে নিন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা এই বিষয় নিয়ে কি বলেছেন। পেসার, সুগার, ওজন ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে রাখুন। নিয়মিত চিকিৎসা করান। হার্ট ফেলিওর থাকলে ভাল করে চিকিৎসা করে তাকে আয়ত্তে রাখুন৷ জন্মগত হৃদরোগ জনিত সমস্যা হলে পেসমেকার বসাতে হবে।

শরীরে ঘন ঘন সোডিয়াম–পটাশিয়াম লেভেলের হেরফের হলেও সমস্যা হতে হচ্ছে কিনা সে দিকে নজর রাখুন৷ আত্মীয়দের মধ্যে হটাৎ কেউ হৃদরোগে মারা গেলে মাঝেমধ্যে চেক আপ করান। হৃদরোগ সন্দেহ হলে ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাফি, করোনারি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি বা ইপি স্টাডি করা হয়৷

কারণ পাওয়া গেলে ওষুধ বা অপারেশন করে তা সামলানো হয়৷ হার্ট রেট অতিরিক্ত বেড়ে গেলে শক দিয়ে স্বাভাবিক করা হয় এবং হার্ট রেট কমে গেলে ব্যাক আপ পেসমেকার সার্ভিস সেটা সামলে দেয়।