বাধা বিপত্তি কেটে যাবে, পাবেন মানসিক শান্তি, যদি হনুমান পুজো শনিবার হয়

164
বাধা বিপত্তি কেটে যাবে, পাবেন মানসিক শান্তি, যদি হনুমান পুজো শনিবার হয়

যে রামায়নের হাত ধরে যুগ যুগ আগে থেকে মানুষ হনুমান ঠাকুরের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন তা আজও বর্তমান। শুধু সীতাকেই বাঁচানো হয়। জগত সংসারকে বাঁচানোর জন্য হনুমান ঠাকুরের একটা আলাদা মাহাত্ম্য আছে। তাই তো হনুমান ঠাকুরের পুজোর চল কয়েক বছর ধরে বেশ ভালোভাবেই চালু হয়েছে। প্রতি মঙ্গল ও শনিবার হনুমান পূজার দিন হিসেবে ধরা হয়। যেকোনো বিপদে আপদে হনুমান ঠাকুর বিভিন্ন দিক থেকে রক্ষা করে। যেকোনো সমস্যা সমাধানে আমাদের সহায় হন।

অনেকেই আছেন যারা ভালোবাসার মানুষটিকে কাছে পেয়েও হারিয়ে ফেলছেন। ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না। তাঁদের ক্ষেত্রেও বিশেষ সহায়ক হনুমানজি। ভালোবাসার মানুষকে যদি কাছে পেতে চান সেক্ষেত্রে হনুমান চল্লিশার প্রথম চৌপাই হ ‘ভুত পিসাস নিকাত নাহি আভে, মহাবীর জাব সুনাভে’৷ দ্বিতীয় চৌপাই-নাসে রোগ মিটে সাব পীরা, জাপাট নিরন্তর হনুমান বালবিরা, তৃতীয় চৌপাই-অসত সিদ্ধি নাভ নিধি কে দাতা, অ্যাস বার দীন জানকি মাতা, চতুর্থ চৌপাই-বিদ্যাবান গুনি অতি চতুর, রামকাজ করিবে কো আতুর, পঞ্চম চৌপাই-ভীম রূপ ধারি অসুর সংহারে, রামচন্দ্র জি কে কঞ্জ সাভারে জপ করুন।

এর পাশাপাশি প্রতি মঙ্গল ও শনিবারে বাড়িতে ভক্তিভরে হনুমান চালিশা পাঠ করে হনুমান পূজাও করুন। এর জন্য বেশ কিছু নিয়ম পালন করতে হবে। এই দুই দিন হনুমান ঠাকুরের সামনে ঘি-এর প্রদীপ জ্বালান। এরপর ভোগ নিবেদন করে শুদ্ধ বস্ত্র পরিধান করে হনুমান চালিশা পড়বেন।