এখন সকলেই ব্রঙ্কাইটিসের কবলে পড়তে চলেছে

93
এখন সকলেই ব্রঙ্কাইটিসের কবলে পড়তে চলেছে

পরিবেশে দূষণের মাত্রা বেড়েই চলেছে। আর তার সাথেই বাড়ছে বিভিন্ন রোগের রাজকীয় বাস। ধুম্পান,অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্রঙ্কাইটিস হওয়ার চান্স এখন বেশি।

শুধু শিশু বা বয়স্ক নয় এখন এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সবাই। তবে হ্যাঁ, সাধারণত শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা এই রোগে বেশি ভোগে কারন প্রপ্ত বয়স্কদের তুলনায় তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক ভাবে কম হয়।
যাদের মধ্যে অল্পতেই ঠাণ্ডা লেগে যাওয়ার প্রবনতা বেশি, অতিরিক্ত গরমে ঘাম গায়ে শুকিয়ে গিয়ে তাদের ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা বাড়তে পারে। যারা হাঁপানির সমস্যায় ভোগেন, প্রচণ্ড গরমে তারাও ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা থেকে রেহাই পান না।
ব্রঙ্কাইটিস হলে ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ করার টিস্যুটি অর্থাৎ ব্রঙ্কিয়াল ট্রি সংক্রমণের জন্য ফুলে ওঠে। অনেক সময় ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা ভাইরাসের কারণে হয়।

তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া থেকেও এই সমস্যা হতে পারে। একবার ব্রংকাইটিস হলে বারবার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কলকারখানার ধুলাবালি ও ধোয়াময়, স্যাঁতস্যাতে ধুলিকনা মিশ্রিত আবহাওয়া,ঠান্ডা লাগা ও ধূমপান পরিবেশে ব্রঙ্কাইটিসের সম্ভাবনা বেশি থাকে। কাশি,বুকে ব্যাথা ও শ্বাসকষ্ট হওয়া, কাশির সময় রোগি বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা এই সবই ব্রঙ্কাইটিসের প্রধান লক্ষণ।
এই রোগে আক্রান্ত হলে জ্বর হয়,রোগি দূর্বল হয়ে পরে, শক্ত খাবার খেতে পারেনা। এছাড়াও কাশির সাথে অনেক সময় কফ বের হয়। সুতরাং এই সময় রোগিকে রোগী কে উষ্ণতা ও শুষ্ক পরিবেশে রাখা উচিত।
এবং পুষ্টিকর তরল ও গরম খাবার যেমনঃ গরম দুধ,স্যুপ ইত্যাদি খাওয়ানো অতি প্রয়োজন। অ্যাকিউট ব্রঙ্কাইটিসের ক্ষেত্রে সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যেই সংক্রমণ কমে যায়।

ব্রঙ্কাইটিসে ধূমপানের অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করুন। প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া প্রয়োজন এই সময়। বাইরের ধুলাবালি থেকে নিজেকে যতটা সম্ভব বাঁচিয়ে চলুন।
সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। পরিষ্কার জামা-কাপড় ও চাদর বালিশ ব্যবহার করুন। তবে যেটা আবশ্যক সেটা হল সঠিক সময়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসার প্রয়োজন। কারন ট্রান্স ফ্যাটের মধ্যে থাকা হাইড্রোজেন অয়েল হার্টের জন্যও ক্ষতিকর।