স্পন্ডিলোসিসে রোগ ভুগতে না চাইলে এই জিনিসগুলি পরিবর্তন করুন নয়তো আপনাকে স্পন্ডিলোসিসে রোগ ভুগতে হবে

73
স্পন্ডিলোসিসে রোগ ভুগতে না চাইলে এই জিনিসগুলি পরিবর্তন করুন নয়তো আপনাকে স্পন্ডিলোসিসে রোগ ভুগতে হবে

বিলাসবহুল লাইফস্টাইল পরিবর্তন করুন নয়তো আপনারও হতে পারে স্পন্ডিলোসিস৷ বর্তমানে সবাই ব্যস্ত নিজের কাজ নিয়ে। আধুনিক সমাজের বিলাসবহুল জীবন কাটিয়ে নিজের শরীরের চিন্তা করার মতো সময় থাকে না কারোর কাছেই। মাথা নীচু করে মোবাইল-কম্পিউটার ঘাঁটছে সবাই৷ তবে এই লাইফস্টাইল পরিবর্তন করতে হবে এখনই৷ নয়তো স্পন্ডিলোসিসের হাত থেকে রক্ষা নেই।

অফিস ডেস্কে কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে অনবরত কাজ করা, বাড়িতেও একটানা টিভি দেখা, কিংবা ঘুম থেকে উঠে ঘাড় ঘোরাতে সমস্যা এসকল কারণেই স্পন্ডিলোসিসের উত্‍পত্তি ঘটে। স্পন্ডিলোসিস আসলে শিরদাঁড়ার হাড়ের সমস্যা। আবার পিঠের নীচের দিকে এই হাড়ের সমস্যা হলে তাকে আমরা বলি লাম্বার স্পন্ডিলোসিস।

এই অসুখ স্ত্রী, পুরুষ যেকোনো ব্যক্তিরই হতে পারে। তবে কিছু ব্যায়াম ও নিয়ম মেনে চলতে হবে এই রোগে। ঘাড় বা পিঠ বেঁকিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসার অভ্যাস বদলাতেই হবে। কাজের জন্য তেমন ভাবে বসতে হলে মাঝে মাঝেই উঠে হাঁটতে হবে। ঘাড় এ দিক ও দিক ঘুরিয়ে নিতে হবে, ঘড়ির কাঁটার দিকে ও ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘাড় ঘুরিয়ে ফের সিটে এসে বসতে হবে। রিভিল্ভিং চেয়ারে না বসে কাঠের চেয়ারে বসার ব্যবস্থা করতে হবে।

চেয়ারে সোজা হয়ে বসতে হবে। আরাম করে হেলান দিয়ে পিঠকে সাপোর্ট দিয়ে বসলে চলবেনা, এতে মেরুদণ্ডকে বেঁকে যেতে থাকে। ২০-৩০ মিনিট অন্তর অবশ্যই চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াতে হবে। কিছুক্ষন পরপর হাটতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে বসার সময় যেন পা মাটি ছুঁয়ে থাকে। আর রাতে অবশ্যই ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমোতে হবে।

স্পন্ডিলোসিসে কখনওই বালিশ ছাড়া ঘুমোবেন না। নরম দেখে একটা বালিশ নিতে হবে। কেমন বালিশে শোবেন তা ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে। ঘুম ভাঙার পর পাশ ফিরে উঠতে হবে। সোজা উঠলে মেরুদণ্ডে চাপ পড়বে।