গবেষণায় নতুন তথ্য জানা গেছে যে, স্ত্রীয়ের উপার্জন বেশি হলেই স্বামী‌ নাকি অসুখী!

76
গবেষণায় নতুন তথ্য জানা গেছে যে, স্ত্রীয়ের উপার্জন বেশি হলেই স্বামী‌ নাকি অসুখী!

বাহ্যিকভাবে আমরা বেশ আধুনিক। কিন্তু আধুনিকতা কি আদৌ আমাদের ‌মনের ভেতরে প্রবেশ করতে পেরেছে! লন্ডনের বাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমেরিকার প্রায় ছয় হাজার নারী–পুরুষের ওপর গবেষণা করা হয়েছে। সমীক্ষার ফলাফল অবিশ্বাস্য। সেখানে বলা হয়েছে, যে পুরুষরা সংসারে নিজে একাই উপার্জন করেন, তাদের ওপর খুব মানসিক চাপ থাকে। আবার যে সংসারে পুরুষের সাথে মহিলারা ও পরিবারের সামগ্রিক উপার্জনের ৪০ শতাংশ উপার্জন করেন, সেই পুরুষরা সবচেয়ে সুখী থাকেন।

মানসিক দিক থেকে মানুষ এখনো আধুনিক হতে পারে নি। কারণ এশিয়া বা আফ্রিকার মতো পিছিয়ে পড়া মহাদেশের কোনও রাষ্ট্র নয়, আমেরিকার মতো উন্নয়নশীলশীল দেশেই এখনও পুরুষদের মধ্যে এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা আসে কিভাবে?‌

পুরুষ সঙ্গীটি নিজে বুঝতেও পারেন না, কেন অকারণে রেগে যাচ্ছেন তিনি, অথবা হঠাৎ কেন তাঁরা মন খারাপ হচ্ছে। গবেষকদের মতে এর পিছনে সামাজে তৈরি নিয়মগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কারণ আর্থিক দিক থেকে নিজেদের অধিক সক্ষমতা পুরুষদের বেশি পছন্দ।
পুরুষতান্ত্রিক সমাজের এই প্রথাই চলে ‌আসছে যুগ যুগান্তর থেকে। তাই যদি পরিবারে নারীর আর্থিক ক্ষমতা যদি পুরুষের থেকে বেশি হয়, তাহলে অস্তিত্ব সংকটে ভোগে পুরুষটি। কিন্তু এইরকম ভাবাটা একদম উচিত নয়। সমাজ যথেষ্ট এগিয়ে যাচ্ছে, উন্নত হচ্ছে মানুষ। এই রকম পরিস্থিতিতে লিঙ্গের ভিত্তিতে অর্থ উপার্জনের ক্ষমতা নির্ভর করছে এই ধরণের চিন্তাধারা তো মানসিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়ার লক্ষণ।