নিজের সন্তানকে ডেঙ্গি উপহার এডিস মশার থেকে বাঁচান ডেঙ্গিতে এডিস মশা খুবই বিপদজনক!

135
নিজের সন্তানকে ডেঙ্গি উপহার এডিস মশার থেকে বাঁচান ডেঙ্গিতে এডিস মশা খুবই বিপদজনক!

অ্যানোফিলিস, কিউলেক্স অবশ্যই বিপদজনক, কিন্তু এডিসের মত একটিও নয়। অ্যানোফিলিস, কিউলেক্স মশা জন্মসূত্রে বাচ্চার মধ্যে ম্যালেরিয়া ছড়াতে পারেনা কিন্তু ডেঙ্গি ভাইরাসের উত্তরাধিকার দিয়ে যায়। এডিসের ডিম শুধু জলে নয়, শুকনো জায়গাতেও এক থেকে তিন বছর বেঁচে থাকতে পারে।

পতঙ্গবিদরা আশঙ্খা করছেন, জলে এবং শুকনো জায়গায় একসঙ্গে এডিস মশার অতুরঘর ধ্বংস করতে না পারলে ডেঙ্গির এই বাড়াবাড়ি চলতেই থাকবে। বিজ্ঞানীদের মতে, স্ত্রী এডিস মশার শরীরে একবার ডেঙ্গি ভাইরাস ঢুকলে সে সেই ভাইরাস সারাজীবন বহন করে, তারউপর পরবর্তি প্রজন্মেও সেই ভাইরাস দিয়ে যায়।সাধারণ মানুষ থেকে মশা এবং মশা থেকে মানুষ, এই চক্রের মাধ্যমেই ডেঙ্গি ছড়ায়।
মানুষকে বলা হয় আধার এবং মশাকে বলা হয় বাহক। পতঙ্গবিদরা মনে করেন, ডেঙ্গি ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করার পরেই সংশ্লিষ্ট মশা কোনো মানুষকে কামড়ালো ডেঙ্গি হবেনা। কারণ ডেঙ্গি ভাইরাস মশার শরীরে সমস্ত কোষে বৃদ্ধি পেতে অন্তত ১০ দিন সময় নেয়। পতঙ্গবিদ গৌতম

চন্দ্র জানান, মশা একবার পেট ভরে রক্ত খেলে, ডিম পাড়া পর্যন্ত সেই মশা আর রক্ত খায়না।
রক্ত খাওয়ার ৩ থেকে ৪ দিন পর ডিম পেড়ে তারপর রক্ত খায় সেই মশা। তিনি আরও বলেন, রক্ত খাওয়ার দুটি কারণ থাকে। পেট ভরানো এবং রক্তের প্রোটিনে ডিমকে পরিপক্ক করা। মা মশার শরীরে সেই ভাইরাস থাকলে ডিম পাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা ডিমে চলে যাবে। কলকাতা পুরসভার মুখ্য পতঙ্গবিদ দেবাশিস বিশ্বাস জানান, এডিস মশা অ্যানোফিলিস এবং কিউলেক্সের থেকে বেশি সহনশীল এবং শক্তিশালী।
এডিস মশার ডিম ১ থেকে ৩ বছর জল ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে। এডিস মশা একসঙ্গে অনেকের রক্ত খায়। যাকে কামড়াল, তিনি যদি নাড়াচাড়া করেন তবে পাশের জনকে গিয়ে কামড়াল। এই কারণেই পরিবারের একাধিক সদস্যের ডেঙ্গি হয়।