মেদ কমাতে চাইলে করুন এই কাজ, অবশেষে এলো দারুন টোটকা

146
মেদ কমাতে চাইলে করুন এই কাজ, অবশেষে এলো দারুন টোটকা

আমরা জানি বিপাক হার বৃদ্ধি পেলে মেদ কমে যায়। কিন্তু এই বিপাক হার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আমরা যেসব ব্যায়াম বা ডায়েট বা তথাকথিত নিয়ম মেনে চলি সেক্ষেত্রে অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে। যার ফলে মেদ কমা তো দূর থাক উপরন্তু বাড়তে শুরু করে। তাই আমাদের জানা উচিত কিভাবে সঠিক উপায়ে বিপাক হার বৃদ্ধি করা যায়।

যেমন মেদ ঝরাতে আমরা অনেকেই অতিরিক্ত ব্যায়াম বা যোগাসন বা দৌড়ই বা অতিরিক্ত হেটে ফেলি এর ফলে মেদ ঝরে না বরঞ্চ শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার অনেকটাই কমে যায় এবং আমাদের শরীরে ক্লান্তি ভর করে।
অনেক সময় আমরা ঠিকঠাক ব্যায়াম করি এবং ডায়েট মেইনটেইন করি কিন্তু তথাপি আমাদের শরীরে মেদ ঝরে না এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন কিছু খাবারে আমাদের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায় ঠিকই কিন্তু সেই খাবার আমরা কতটা পরিমাণ খাবো সেই বিষয়ে লক্ষ রাখা দরকার। এবং যেসব খাবার মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে সেসব খাবার ছাড়া অন্য কোন খাবার যে খাব না তা একদমই নয় এসব বিষয়ে ধ্যান রাখা দরকার তবে মেদ ঝরানো সম্ভব।

এছাড়া আমরা জানি গ্রিন টি খেলে মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়। কিন্তু আমরা অনেকেই বারবার গ্রিন টি খেতে শুরু করে দি। এতে আমাদের শরীরকে বিপাকে পড়তে হয় তাই দিনে দু’বারের বেশি গ্রিন টি খাওয়া উচিত নয়। এছাড়া আমাদের অনেকের ধারণা নারী এবং পুরুষের বিপাক হার সমান। এই ধারণা অত্যন্ত ভুল কেননা বিপাক হার নির্ভর করে শারীরিক কাঠামো ও পেশীর গঠনের ওপর। তাই নারী এবং পুরুষ উভয়ের বিপাক হার কখনো সমান হওয়া সম্ভব নয়।

এছাড়া আমাদের অনেকেরই একটি অত্যন্ত ভুল ধারণা খাবার কম খেলে মেদ ঝরে। বরং খাবার কম খেলে এর উল্টোটাই সম্ভব, খাবার কম খেলে মেদ বৃদ্ধি পেয়ে যায়। বৈজ্ঞানিকদের মতে প্রতি 3 ঘন্টা অন্তর কিছু না কিছু খাবার খাওয়া প্রত্যেকের উচিত। এবং খাবার এমনভাবে খেতে হবে যেন খাওয়ার পর পেটে কিছুটা খিদা থেকে যাবে। পেট ভরে খাবার খাওয়া যাবেনা।
তাই মেদ ঝরাতে গেলে বিপাক হার যেমন বৃদ্ধি পাওয়া দরকার সেই ভাবেই আমাদের এই তথাকথিত মিথগুলির বিভ্রান্তি থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখা অবশ্যই প্রয়োজন।