দূষণ নিয়ে নতুন পদ্ধতির ভাবনা রাজ্যের

154
দূষণ নিয়ে নতুন পদ্ধতির ভাবনা রাজ্যের

ভাগারের জঞ্জাল থেকে দূষণের পরিমানটা কম নয়। তাই এই দূষণ কমাতে নতুন পদ্ধতির ভাবনা রাজ্যের। ভাগাড়ের দূষণ সামলাতে ‘গুজরাত-নাগপুর’ মডেলের অনুকরণ করে ‘বায়ো-মাইনিং’ পদ্ধতির ব্যবহার করতে চলেছে রাজ্য। রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ সূত্রের খবর, এই পদ্ধতির মাধ্যমে কঠিন বজ্র পৃথক করে আবর্জনা সামাল দেওয়া যায়।

রাজের একটি দল গুজরাতের পিপরায় গিয়ে কিভাবে কাজ করা হয় সেটা দেখে এসেছে। নাগপুরে শুক্রবার আরও একটি দল যাওয়ার কথা।

জানা গিয়েছে, কলকাতা ও বিধাননগর পুরসভা এলাকার ভাগারে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করার কথা ভাবা হচ্ছে। ধাপা এবং প্রমোদনগর ভাগাড়ে পরে থাকা কঠিন বজ্র-এ আগুন লেগে যে বায়ুদূষণ হয়, তা ঠেকাতে দনকলের একটি ইঞ্জিন থাকবে।

পর্ষদ সূত্রের খবর, কলকাতা-হাওড়ার দূষণ হিসেবে দায়ী করা হয়েছে রাস্তার ধুলোকে। রাস্তার ধুলোয় মিশে থাকে যানবাহনের ধুলোও। ভারী গাড়ির চাকা থেকেও ধুলো ওরে।

তাই বায়ুদূষণে রাস্তার ধুলো অনেকটাই আসে যানবাহন থেকে। বায়ুদূষণ নিয়ে বৃহস্পতিবার পর্ষদের সদস্য সচিব রাজেশ কুমার জানান, ভাগাড়গুলিতে নতুন প্রযুক্তির পাশাপাশি ধুলো ঠেকাতে রাস্তায় জল ছেটানো হচ্ছে।

পর্ষদের মুখ্য বিজ্ঞানী উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় জানান, শহরে বায়ুদূষণের পরিমান এবং চরিত্র জানার জন্য ‘মেশিন লার্নিং’-এর সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।