আপনার কি ডাস্ট এলার্জি আছে ?

600

বর্তমানে পরিবেশ দূষণের মাত্রা যেমন বাড়ছে তেমনই বাড়ছে রোগের কারন। এই রোগের মধ্যে সর্বাধিক বাড়ছে ডাস্ট অ্যালার্জি। ডাস্ট অ্যালার্জি সাধারণত ধুলোর কারণে হয়ে থাকে।

তবে এবার একটাই প্রশ্ন কীভাবে বুঝবের আপনার ডাস্ট অ্যালার্জি আছে? সাধারণ এই ধরনের অ্যালার্জির আক্রমণে নাক বন্ধ হয়ে যায়, শ্বাস নিতে অসুবিধে হয়, বার বার হাঁচি আসতে থাকে, কাশি হয়, চোখ চুলকায় এবং লাল হয়ে জল পড়ে৷ গায়ে, মুখে লালচে চুলকানিও বেরোয়৷

কারও কারও ক্ষেত্রে এই সব লক্ষণের একটি কার্যকর হয়, কেউ কেউ একাধিক সমস্যায় ভোগেন৷ ধুলোয়ে থাকা বিভিন্ন আণুবিক্ষনিক জীব অর্থাৎ ডাস্ট মাইটের জন্য এই রকম অ্যালার্জির সৃষ্টি হয়।

তবে এই অ্যালার্জির হাত থেকে বাঁচতে উপায় কি? ওষুধের দোকান থেকে নেওয়া গাদা গাদা অ্যান্টি অ্যালার্জির ওষুধ না খেয়ে ঘরোয়া টোটকা ব্যাবহার করলেই রেহাই পাওয়া যাবে এই অ্যালার্জির কবল থেকে। তবে কী খাবেন?

ঘি: ঘি হল উত্তম অ্যান্টিবডি। যে কোনও অ্যালার্জির সঙ্গে লড়াই করার শক্তি যোগাতে সক্ষম ঘি। এক চামচ খাঁটি ঘি তুলায় নিয়ে সেটা সরাসরি লাগান র‌্যাশে। ঘি এক চামচ করে খেলেও অ্যালার্জি অনেকটাই কমে।

সবুজ শাকসবজি: শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন যোগায় সবুজ শাকসবজি। এছাড়াও শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্যই না অ্যালার্জির প্রবণতা কমাতেও কাজে লাগে।

গ্রিন টি: গ্রিন-টিয়ে থাকে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট অ্যালার্জির সমস্যার সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে। চোখে অ্যালার্জিজনিত লাল-লাল ভাব, ঘামাচির মতো দানা বের হওয়া ইত্যাদি থামাতে এটি বেশ কার্যকর। তাই চা, কফির অভ্যাস বদলে দিনে দু’-তিন বার গ্রিন টি-তে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন।

মধুঃ মধুর অনেক উপকারিতা রয়েছে। এক চা চামচ মধু খেয়ে নিলে হাঁচি-কাশি থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়া মধুর মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান। এটি অ্যালার্জির কারণে হওয়া র‍্যাশ কমাতে সাহায্য করে।

তবে উল্লেখিত উপায় গুলি শুধু মাত্র ঘরোয়া টোটকা। তাই বেশি দিন রোগ এড়াবেন না, হেলদি থাকতে ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নিন।