আপনার হাইপার টেনশন থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় দেখুন

1261

চিকিৎসকেরা বলেন, হাই ব্লাড প্রেসারের সমস্যা থাকলেও তা ধরা নাও পড়তে পারে। কারণ এর পিছনে রয়েছে হাইপার টেনশন। ইন্ডিয়ান হার্ট স্টাডির সমীক্ষা বলছে, পশ্চিমবঙ্গেও এধরনের রোগী রয়েছে ৩৯.৮%। যেকোনো বয়সেই রক্তচাপের সমস্যা হতে পারে। এমনও হতে তাকে, কারো উচ্চ রক্তচাপ আছে কিন্তু তিনি সেটা বুঝতে পারছেননা।

কিন্তু পরীক্ষা করে দেখলেন রিপোর্টে দেখাচ্ছে অস্বাভাবিক। এর পিছনে লুকিয়ে আছে হাইপার টেনশন। সম্প্রতি ইন্ডিয়ান হার্ট স্টাডি একটি সমীক্ষা করে। হাইপার টেনশনের জন্য কোনো ওষুধ খাননা এরকম ১৮,৯১৮ জনের রক্তচাপ পরীক্ষা করেন গবেষকরা। ৯ মাস ধরে ১৫ রাজ্যের ১২৩৩ জন চিকিৎসক এই সমীক্ষা করেন।

তাদের বাড়িতে টানা ৭ দিন, দিনে ৪ বার করে পরীক্ষা করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের ৮৬২ জনকে নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছিল। হয় ব্লাড প্রেসারে ভুগছেন কিন্তু তা ধরা পড়েনি পশ্চিমবঙ্গে এরকম রোগী রয়েছে প্রায় ৩৯.৮%। এই সমস্যা দু ধরণের হয়। মাস্কড হাইপারটেনশন, এর অর্থ হল ডাক্তারের কাছে রক্তচাপ স্বাভাবিক কিন্তু বাড়িতে মাপলে রক্তচাপ বেশি।

হোয়াইট কোট হাইপারটেনশন, এর অর্থ হল ডাক্তারের কাছে রক্তচাপ অস্বাভাবিক কিন্তু বাড়িতে মাপলে রক্তচাপ কম। তাই চিকিৎসকরা মনে করেন, রোগীরা অনেক সময় এই সমস্যা বুঝতে পারেননা। তাই রোগীরা ভুল ওষুধ খেয়ে থাকেন। এর ফলে হার্ড, কিডনি বা ব্রেইনের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকে।

মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এই সমীক্ষায় আরও একটি বিষয় দেখা গেছে যে, সকালের থেকে বিকেলের দিকে ভারতীয়দের রক্তচাপ বেশি থাকে। এক্ষেত্রে রক্তচাপ কমানোর জন্য কখন কতটা ডোজের ওষুধ খেতে হবে তা ঠিক করবেন চিকিৎসকরা।