বহেড়ার নানাবিধ উপকারিতাগুলি জেনে নিন

221
বহেড়ার নানাবিধ উপকারিতাগুলি জেনে নিন

বহেড়া এক ধরনের ঔষধি ফল। এই ফলের আরেক নাম বিভিতকি, তবে বহেড়া নামেই বেশি পরিচিত। এই গাছের জন্ম ভারতবর্ষে। গাছের গুড়িও অনেক লম্বা। শীত কালে এর ফল পুষ্ট হয়, তারপর নিজ থেকেই গাছ থেকে খসে পড়ে। বহেড়ার ফল দু’রকমের হয়-এক প্রকার গোল, আরেকটি ডিম্বাকৃতির। এর ফল ও ফলের শাস ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

চলুন জেনে নিই বহেড়ার উপকারিতা………….

ইন্দ্রিয়-দৌর্বল্যে:- এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে হলে রোজ দু’টি করে বহেড়া বিচীর শাঁস খান।

শ্বেতী রোগে:- বহেড়া বিচির শাঁসের তেল বের করে শ্বেতীর ওপর লাগালে গায়ের রং অল্পদিনের মধ্যেই স্বাভাবিক হবে।

অকালে টাক পড়লে:- বহেড়া বিচির শাঁস অল্প জলে মিহি করে বেটে চন্দনের মতো টাকে লাগালে, টাক সেরে যায়।

শ্লেস্মায়:- আধা চা-চামচ বগেড়া চূর্ণ, ঘি গরম করে তার সাথে মিশিয়ে আবার গরম করে মধু মিশিয়ে চেটে খেলে উপরকার পাওয়া যায়।

আমাশয়:- সাদা বা রক্ত যে কোনও আমাশয়ে প্রতিদিন সকালে জলর সাথে বহেড়া চূর্ণ খেলে উপকার পাওয়া যায়।

অকালে চুল পাকলে:– বহেড়ার বিচি বাদ দিয়ে ১০ গ্রাম ছাল নিয়ে জল দিয়ে বাটুন। এক কাপ জলে গুলে জলে ছেঁকে নিন, এবার সে জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

ফুলো কমানোর জন্য:- বহেড়ার বিচি বাদ দিয়ে ছাল বেটে একটু গরম করে ফুলোয় প্রলেপ দিলে ফুলো কমে যাবে।

ভেষজ দাওয়াই ব্যবহার:– বহেড়া বিশেষভাবে পরিশোধিত করে এর ফল, বীজ এবং বাকল ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়।

ঔষধি গুণ:- কথিত আছে, প্রতিদিন বহেড়া ভেজানো জল এক কাপ পরিমাণ পান করলে দীর্ঘায়ু হওয়া যায়। বহেড়া হৃৎপিণ্ড এবং যকৃৎ রোগের আক্রমণ কমায়। সর্দি-কাশি নিরাময় করে। এটা কৃমিনাশক, স্বরনাশক এবং অনিদ্রা দূর করে। এ ছাড়া পাইলস, হাঁজল ও কুষ্ঠরোগে বহেড়ার চিকিৎসা বেশ ফলপ্রসূ।