উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য যা করবেন

212
উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য যা করবেন

হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব। উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে থাকবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম।

তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উৎস। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম। বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদিতে। অনেকেই অবশ্য জানেন না, রোজ খাবারের তালিকায় সাধারণ কিছু উপাদান রাখলেই মিলতে পারে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থেকে মুক্তি। জেনে নিন সেরকমই সাত খাবারের খবর।

কলা:- সব মৌসুমের সহজলভ্য এই ফল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে ম্যাজিকের মত| কলা পটাশিয়ামে পূর্ণ, যে উপাদানটি রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমিয়ে দেয় দশ গুণ দ্রুততায়। সেইসঙ্গে কিডনিকেও ভালো রাখে কলা। তাই হাইপার টেনশনের রোগীদের দিনে ১ থেকে ২ টি কলা খাওয়া উচিৎ নিয়মিত।

গোল মরিচ:- যাদের স্বল্প মাত্রার রক্তচাপ ওঠা-নামার সমস্যা রয়েছে তারা কালো ও লাল গোল মরিচে খেলে সুফল পেতে পারেন। গোলমরিচ খেলে হৃৎপিণ্ডের রক্তনালী প্রসারিত হয়, যার ফলে রক্ত চলাচল থাকে স্বাভাবিক।

পেঁয়াজ:- পেঁয়াজে রয়েছে কুয়েরসেটিন নামের এক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান, যা রক্তচাপ কমায় দ্রুত হারে। এছাড়াও এতে রয়েছে সালফার যা রক্তচাপ বৃদ্ধিকে রুখতে পারে সহজেই।

মধু:- মধুতে রয়েছে অলিগোস্যাকারাইড নামের একধরণের কার্বোহাইড্রেট। এটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে রক্তনালীকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যামাইনো এসিড, যা সিস্টোলিক ব্লাডপ্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

রসুন:- গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে রসুন সত্যিই সহায়ক। কাঁচা এবং রান্না করা- দুই অবস্থাতেই রসুন রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে রয়েছে হাইড্রোজেন সালফাইড, যার মাধ্যমে পেটের গ্যাস কমে যায় দ্রুত। এতে হৃৎপিণ্ডও থাকে বাড়তি চাপমুক্ত।

লেবু:- রক্তনালীকে নরম রাখতে সাহায্য করে লেবুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়াও এতে থাকা ভিটামিন সি ক্ষতিকর উপাদান থেকে হৃৎপিণ্ডকে রক্ষা করে।