এই নিওমগুলি মেনে চললে আটকে দিতে পারে আপনার জরায়ুমুখের ক্যান্সার

5520
এই নিওমগুলি মেনে চললে আটকে দিতে পারে আপনার জরায়ুমুখের ক্যান্সার

আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির সমীক্ষা অনুসারে, নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখেন এমন মহিলাদের মধ্যে শতকরা ৮০ জন তাঁর সঙ্গীর যৌনাঙ্গে থাকা এইচপিভি ভাইরাসে সংক্রমিত হন। ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে এর আশঙ্খা শুরু হয় এবং ৫৫ থেকে ৬৫ বছরের মধ্য তা বেড়ে যায়। এই ভাইরাস শরীরে ঢোকার পর দীর্ঘদিন চুপ থাকে, হটাৎ করে ক্ষত সৃষ্টি করে এবং এরপরে জরায়ু মুখের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে যতজন এই ভাইরাসে সংক্রমিত হন, তার মধ্যে খুবই কম সংখ্যক আক্রান্ত হন ক্যান্সারে।

চিকিৎসক সোমনাথ সরকারের মতে, দীর্ঘদিন ধরে গর্ভনিরোধক পিল খাওয়া, ১৮ বছর বয়সের আগে থেকে সহবাস, যৌন সঙ্গী বেশি থাকা, এইচআইভি সংক্রমণ, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, যৌনাঙ্গ পরিষ্কার না রাখা, ফলমূল শাকসবজি কম খাওয়া, ধুমপান করা, এগুলির ফলে ক্যান্সার মাথা চারা দিতে পারে। তবে এই নিয়মগুলি মেনে চলুন, এই অসুখ থেকে অনেকটাই দূরে থাকবেন।

কন্ডোম পুরোপুরি প্রমাণিত নয়। তাই বিপদ এড়াতে ভ্যাকসিন নিন। প্রথমটি নেওয়ার এক বা দুমাস পর দ্বিতীয়টি নেবেন। তার ৬ মাস পর নেবেন তৃতীয়টি। মোট ৩ টি ইনজেকশন নেবেন। ৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যে এই ভ্যাকসিন নিলে প্রায় ৭০% জরায়ুমুখের ক্যান্সার হওয়ার ক্ষমতা কমে যায়। যৌনজীবন শুরু হয়ে গেলেও যদি এই সংক্রমণ না হয়, তবে ২৬ বছরের মধ্যে এই ভ্যাকসিন দেবেন। ছেলেদের থেকে এটি ছড়ায় বলে ছেলেদেরও দেওয়া উচিত।

অনিয়মিত পিরিয়ড, পিরিয়ডের সময় ছাড়া অন্যসময় রক্তপাত, সহবাসের পর রক্তপাত, দুর্গন্ধযুক্ত সাদা স্রাব, তলপেট ও কোমরের ব্যাথা, প্রস্রাবের অসুবিধা, কোষ্টকাঠিন্য এই উপসর্গগুলি দেখা দিতে পারে।

ক্যান্সার হওয়ার আগের পর্যায়ে এই রোগটি ধরা পড়লে ছোট সার্জারি করলেই সেরে যায়। স্টেজ ১ এবং ২ এ থাকলেও রোগ সারে। রোগ এগিয়ে গেলে চিকিৎসায় অনেক দিন ভালও থাকেন রোগী৷