একমাত্র এই ব্যক্তির অস্থিভস্ম রয়েছে চাঁদের মাটিতে, জানুন

176
একমাত্র এই ব্যক্তির অস্থিভস্ম রয়েছে চাঁদের মাটিতে, জানুন

চন্দ্রাভিযান নিয়েই শুধু আজ থেকে নয় দীর্ঘ দিন ধরে বিজ্ঞানীদের একটা আলাদা কৌতূহল রয়েছে৷ তেমনই চাঁদের মাটিতে পা রাখার ইচ্ছা ছিল বিজ্ঞানী ইউজিন শুমেকার৷ মার্কিন ভূতাত্ত্বিক হলেও বিজ্ঞানের নতুন শাখা প্ল্যান টু রোজির জন্মদাতা তিনি৷ ছোট থেকেই ভূগোলের দিকে একটু বেশি আগ্রহ ছিল তাঁর তাই তো খনিজ সংস্কারের একটি কোর্স করেছিলেন৷

পরে বন্ধুর কাছ থেকে ভূতত্ত্ব কথাটি শুনে প্রবল ইচ্ছা জাগে৷ তিনি ও তাঁর এক বান্ধবী দুজনে গবেষণা করে আবিষ্কার করেছিলেন শতাধিক গ্রহাণু ও ধূমকেতু৷ পরবর্তীকালে নাসার অ্যাপোলো 11 মিশনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি৷ তারপর চাঁদের মাটিতে পা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন৷ কিন্তু শারীরিক সমস্যা থাকার জন্য চন্দ্র অভিযানের জন্য তিনি নির্বাচিত হননি৷ তবুও প্রবল ইচ্ছা ছিল তাঁর৷

1997 সালে স্ত্রীকে নিয়ে তিনি পৌঁছেছিলেন পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যন্ত প্রান্ত কেন আমি ট্রাকে৷ আর সেখানেই একটি দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়৷ তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু তথা সহযোগী বিজ্ঞানী ক্যারোলিন পরশ একটি নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেন৷ আর তা হল মৃত্যুর আগে না যেতে পারলেও মৃত্যুর পরে শুমেকারকে চাঁদে পাঠানো হবে৷

এরপর একটি পলি কার্বনেটের ক্যাপসুলে পিতলের আঁধারে রাখা হয় ইউজিনের চিতা ভস্ম, তার পর 1999 সালে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে একটি গহবরে তাঁর চিতা রেখে দেওয়া হয়৷