পুজোর আগে নিজেকে সুস্থ রাখতে মেনে চলুন কয়েকটি কথা! পুজা হয়ে উঠবে আনন্দময়

290
পুজোর আগে নিজেকে সুস্থ রাখতে এবং অসুখ এড়াতে মেনে চলুন কিছু সাবধানতা

এই ভ্যাপসা গরমে বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই নাজেহাল। ভরসা শুধু এসি বা অন্য কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। নইলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। পুজোর আগে নিজেকে সুস্থ রাখতে মেনে চলুন কিছু সাবধানতা।

এই গরমে অতিরিক্ত কাজ করলে পেশিতে সমস্যা হতে পারে। বেরোতে পারে র‌্যাশ। কাজ সেরে এসিতে এসে বসলে ঘাম শুকিয়ে গিয়ে লাগতে পারে সর্দি কাশি। হিট সিনকোপ নামক সমস্যার রোগীরা অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন। সারাদিন গরমের পর সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা প্রায় ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি কমে যায়। তাই এইসময় অ্যাজমার রোগীদের যত্নে রাখুন। তাপমাত্রা ওঠানামায় অ্যাটাক হতে পারে।

এই বিপদগুলি ঠেকাতে ইউরিন হলদেটে হলে বেশি করে জল খান। ডিহাইড্রেশন কমাতে মদ-কফি-কোলা কম খান। হালকা খাবার খান, পেট একটু খালি রাখুন। রোদে বেরোনোর আগে এক গ্লাস জল খান। প্রেসার বা সুগার না থাকলে ওআরএস খেতে পারেন। ডাবের জল, টাটকা ফলের রস খেতে পারেন। রাস্তার শরবত, জল, কাটা ফলের রস খাবেন না। সানগ্লাস, হালকা সুতির কাপড় পরে বাইরে বেরোবেন। গরমে টানা কাজ করবেন না, মাঝে মাঝে একটু বিশ্রাম নেবেন।

পেশিতে ব্যথা হলে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা জায়গায় যান। সেখানে বিশ্রাম নিন। ওআরএস খান। ছাতা, টুপি, সানগ্লাস নিয়ে বের হন। সান বার্ন ও র‌্যাশ ঠেকানো না গেলে দিনে দু’–তিন বার ঠান্ডা জলের ঝাপটায় মুখ ধুয়ে ক্যালামাইন লাগান৷ হিট এক্সারশন হলে বিশ্রাম নিন। যতক্ষণ পর্যন্ত কষ্ট কমবে না ততক্ষণ পর্যন্ত ওআরএস খান। ডাবের জলও খেতে পারেন। অজ্ঞান হয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে বার বার গা মুছে দিন। ফ্যান বা এসি চালিয়ে দিন। স্বাভাবিক ঠান্ডা জলেও স্নান করতে পারেন। বমি করলে স্যালাইন খাওয়াতে হবে এবিং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।