নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতেই সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে,

397
নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতেই সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে,

নারীরা যখন অন্ত:স্বত্ত্বা হয় তখন তাদের মনে শুধু প্রশ্ন জাগতেই থাকে তার ছেলে হবে না মেয়ে হবে। এ সময় তারা বিভিন্নভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জেনে থাকেন। কিন্তু গর্ভের সন্তানটি ছেলে হবে না মেয়ে হবে, তার নিয়ন্ত্রণ মূলত আপনারই হাতে থাকে। ভাবছেন এ কি করে সম্ভব!

একাধিক ব্রিটিশ গবেষকদের মতে, এই বিষয়ে ছোট্ট একটি প্রাকৃতিক কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে। এই কৌশলেই জানা যাবে আপনি ছেলে সন্তান প্রসব করবেন না কি মেয়ে সন্তান প্রসব করবেন।

মূলত, শারীরিক মিলনের সময়ের উপর নির্ভর করে এই পদ্ধতি। এ ক্ষেত্রে প্রথমেই দু’টি বিষয়ে ভাল করে জানতে হবে, বুঝতে হবে। একটি হল ওভিউলেশন বা ডিম্বপাত নামের প্রক্রিয়াটি কীভাবে কাজ করে, আরেকটি হল স্পার্ম বা শুক্রাণু কীভাবে একে প্রভাবিত করে।

 

প্রথমে দেখা যাক ডিম্বপাত বা ওভিউলেশনের প্রক্রিয়াটি কীভাবে কাজ করে-

ডিম্বপাত প্রক্রিয়া- নারী শরীরে প্রতি মাসে পাঁচ দিনের একটি সময়সীমা থাকে যখন ওভিউলেশন হয়। ডিম্বপাতের তিন দিন আগে থেকে শুরু করে এক দিন পর পর্যন্ত হল গর্ভধারণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। কারণ, ডিম্ব কার্যকরী থাকে মাত্র ২৪ ঘণ্টা। কিন্তু শুক্রাণু নারীর শরীরে পাঁচ দিন পর্যন্ত কার্যকরী থাকতে পারে। সুতরাং, এই সময়ের মধ্যে গর্ভধারণ করা যাবে তা জানা গেল। এবার জেনে নেওয়া যাক, সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে, তা কীভাবে ঠিক করা যেতে পারে! আর সেজন্য জানতে হবে শুক্রাণুর প্রভাব সম্পর্কে।

শুক্রাণুর প্রভাব- X ক্রোমোজোম বিশিষ্ট শুক্রাণু দ্বারা ডিম্ব নিষিক্ত হবার কারণে সন্তান মেয়ে হয় আর Y ক্রোমোজোমের কারণে ডিম্ব নিষিক্ত হলে সন্তান হবে ছেলে। Y শুক্রাণু তুলনামূলকভাবে অনেক ছোট, কিন্তু বেশ দ্রুতগামী। তারা খুব বেশিক্ষণ জীবিত থাকে না। এদিকে X শুক্রাণু বেশ বড় এবং ধীরগতির, কিন্তু তারা আবার একটু বেশী সময় বাঁচে। এবার জেনে নেওয়া যাক এই দুই বিষয়ের সমন্বয়ে কী করণীয়-

সন্তান হিসেবে ছেলে চাইলে Y শুক্রাণু যাতে খুব দ্রুত ডিম্বের কাছাকাছি যেতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। এর জন্য নারীর যে দিন ডিম্বপাত হচ্ছে সে দিনেই মিলিত হওয়াটা জরুরি। না হলে শুক্রানুটি আর তেমন কার্যকরী থাকবে না।

আবার আপনি যদি কন্যা সন্তান চান তবে ডিম্বপাতের দুই থেকে তিন দিন আগে মিলিত হতে হবে। ডিম্বপাত হবার আগেই সব Y শুক্রাণু মারা যাবে, ফলে সন্তান ছেলে হবার সম্ভাবনা কমে যাবে অনেকটাই। বেঁচে থাকবে শুধু মাত্র X শুক্রাণুগুলি। ফলে কন্যা সন্তান হবার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে।